ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আউটসোর্সিংয়ে গুরুত্ব দেওয়া কেন জরুরি

আউটসোর্সিংয়ে গুরুত্ব দেওয়া কেন জরুরি

.

মো. সাইদুর রহমান 

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ | ০০:১৮

দীর্ঘ মেয়াদে রপ্তানির ভারসাম্য বজায় কিংবা ডলারের রিজার্ভ যথেষ্ট পরিমাণ রাখার জন্য আমাদের রপ্তানির ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। এমন পণ্য বা সেবা রপ্তানি করতে হবে, যার জন্য ন্যূনতম কাঁচামাল আমদানি করতে হয় কিংবা কোনো কাঁচামাল আমদানির প্রয়োজন পড়ে না। এ ক্ষেত্রে আইটি সার্ভিস অথবা আউটসোর্সিং হতে পারে ইনকামের একটি ফলপ্রসূ মাধ্যম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের আউটসোর্সিং বাজার ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গ্লোবাল ডেটা ফার্মের পরিসংখ্যান অনুসারে, গ্লোবাল বিপিও শিল্পের আয় ২০২২ সালে ৩৩০ বিলিয়ন ডলার ছিল এবং ২০২৩ সালে ৩৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর অনুমান করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, অ্যাকাউন্টিংসহ বিভিন্ন ধরনের আউটসোর্সিং সেবা আমাদের দেশ থেকে দেওয়া হয়ে থাকে। দেশে ৩৫০টিরও বেশি ছোট ও মাঝারি কোম্পানিতে প্রায় ৭০ হাজার লোক কাজ করছে।  
সরকার যদিও আইটি ও আউটসোর্সিংয়ের ব্যাপারে গুরুত্ব দিচ্ছে, তবুও দীর্ঘ মেয়াদে কার্যকরী পলিসি প্রণয়ন করে একে কীভাবে আরও সময়োপযোগী করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। দীর্ঘ মেয়াদে ফলপ্রসূ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন। যেমন শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে আইটি ও আউটসোর্সিং সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সর্বোপরি দীর্ঘমেয়াদি পলিসি উন্নয়নে বিভিন্ন পর্যায়ে একটি বিশেষ ‘রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টিম’ গঠন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, যার ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিক ও যুগোপযোগী মানবসম্পদ তৈরি করে বিশ্বনেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় করতে পারি। 

মো. সাইদুর রহমান: এসিএমএ, ঢাকা 

আরও পড়ুন

×