কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনা

চোখের চিকিৎসা করিয়ে আর ফেরা হলো না মইনুলের

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০১৯      

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

কাজী মইনুল আলম সোহাগ

ভারতের কলকাতায় চোখের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ঝিনাইদহের কাজী মইনুল আলম সোহাগ (৩৫)।

গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সোহাগ ঝিনাইদহ পৌর এলাকার ভুটিয়ারগাতি গ্রামের অ্যাডভোকেট মো. খলিলুর রহমানের ছেলে।

শুক্রবার রাত দুইটার দিকে কলকাতার শেক্সপিয়াার সরণির ওই দুর্ঘটনায় সোহাগ ছাড়াও আরেও এক বাংলাদেশি নারী নিহত হন। নিহত ফারাহানা ইসলাম তানিয়ার বাড়ি কুষ্টিয়া। তিনি ঢাকায় সিটি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত হন নিহত সোহাগের চাচাতো ভাই জিহাদ । 

সোহাগের নিকটাত্মীয় নাসিরুল ইসলাম বুলু ও চাচাতো ভাই কাজী সজিব জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে কলকাতার শেক্সপিয়াার সরণি ক্রসিংয়ের সামনে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় একটি প্রাইভেটকার ছিটকে পাশের ট্রাফিক বিটে ধাক্কা খায়।

তিনি জানান, বৃষ্টির কারণে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন সোহাগ ও ফারহানা ইসলাম তানিয়া নামে দুই বাংলাদেশি। একটি প্রাইভেটকার তাদের পিষ্ট করলে দুইজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলকাতার পিজি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

কাজী সজিব জানান, সোহাগ ঢাকায় বসবাস করতেন। চাকরির কারণে তিনি ঝিনাইদহে খুব আসতেন কম। চোখের চিকিৎসা করাতে তিনি কলকাতায় গিয়েছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শেক্সপিয়ার থানা পুলিশ।

কলকাতায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশের কলকাতার উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করে লাশ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর পক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।