খালেদা জিয়ার রিট নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশ: ১১ জুন ২০১৯      

 সমকাল প্রতিবেদক

খালেদা জিয়া -ফাইল ছবি

নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারে কেরানীগঞ্জের কারাগারে আদালত স্থাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনটি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ফলে খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি হবে হাইকোর্টে নিয়মিত বেঞ্চে।

অবকাশকালীন ছুটি শেষে ১৬ জুন থেকে হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ বসবে। আদেশের পর এ মামলার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি দরকার। অবকাশকালীন এ বেঞ্চের সেই সময় নেই। আদালত খোলার পর নিয়মিত বেঞ্চে দ্রুত এ মামলা শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা সমকালকে বলেন, খালেদা জিয়ার এ রিটের বর্তমান যে প্রেক্ষাপট, তাতে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত আদালতে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচার হতে কোনো বাধা দেখছি না।

মঙ্গলবার আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এবং এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।

পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি কক্ষকে আদালত ঘোষণা করে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচার চলছিল। গত ১২ মে সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এ মামলার বিচারের আদালত পুরনো কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জের নতুন কারাগারে স্থানান্তর করে। ২৬ মে আদালত স্থানান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় রিটটি দাখিল করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর পরদিন এই রিটে পক্ষভুক্ত হয় দুদক। এতে দাবি করা হয়েছে, সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ বহির্ভূত। একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপনে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধির উপধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। পাশাপাশি আবেদনে প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।