ঢাকা সিএমএমে ৪ ভার্চুয়াল কোর্ট গঠন

প্রকাশ: ১১ মে ২০২০     আপডেট: ১২ মে ২০২০   

আদালত প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রানঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে শারীরিক উপস্থিতি ব্যাতিরেকে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে সাধারণ ছুটির সময়ে ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে চারটি ভার্চুয়াল কোর্ট গঠন করা হয়েছে। এসব আদালতে কারাগারে থাকা হাজতি আসামিদের পর্যায়ক্রমে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। 

নির্ধারিত ভার্চুয়াল কোর্টের ই-মেইল অথবা ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে আবেদন প্রেরণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এম জুলফিকার হায়াত। সোমবার তিনি চারটি ভার্চুয়াল কোর্টে বিনাস করে একটি আদেশ জারি করেন।

করোনাভাইরাস চলাকালে ছুটিকালীন সময়ে (সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি বর্ষপঞ্জিতে ঘোষিত ছুটি ব্যতীত) পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এবং সুপ্রিমকোর্টের বিশেষ প্রাকটিস নির্দেশনা অনুসারণ করে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে শুধু হাজতি আসামিদের জামিন সংক্রান্ত বিষয়সমূহ শুনানির মাধ্যমে নিস্পত্তিকরণের জন্য নির্ধারিত ভার্চুয়াল কোর্টেও ই-মেইল অথবা ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে আবেদন প্রেরণ করা যাবে। 

ভার্চুয়াল কোর্ট-১ : এই কোর্টে বিচারক হিসেবে থাকবেন ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী। রাজধানীর উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, তুরাগ, দক্ষিণ খান, উত্তরখান, বিমানবন্দর, গুলশান, বনানী, বাড্ডা, ভাটারা, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার হাজতিদের জামিন আবেদন করা যাবে।

ভার্চুয়াল কোর্ট-২ : এই কোর্টে বিচারক হিসেবে থাকবেন ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী। রাজধানীর রমনা, শাহবাগ, কলাবাগান, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, লালবাগ, চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, কোতয়ালী, বংশাল ও সুত্রাপুর থানা এলাকার হাজতি আসামিদের জামিন আবেদন করা যাবে। 

ভার্চুয়াল কোর্ট-৩ : এই কোর্টে বিচারক হিসেবে থাকবেন ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী।  রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও, রামপুরা, সবুজবাগ, মুগদা, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর, ওয়ারী ও গেন্ডারিয়া থানা এলাকার হাজতি আসামিদের জামিনের আবেদন করা যাবে।

ভার্চুয়াল কোর্ট-৪ : এই কোর্টে বিচারক হিসেবে থাকবেন ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী। রাজধানীর তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প, হাতিরঝিল, শেরেবাংলানগর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর, দারুস সালাম, শাহআলী, পল্লবী, রূপনগর, কাফরুল ও ভাষানটেক থানা এলাকার হাজতি আসামিদের জামিনের আবেদন করা যাবে।

এদিকে, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আইনজীবীদের ক্রমানুসারে জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদেশে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটিকালীন সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে ১১ মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে জামিন সংক্রান্ত বিষয়সমূহ নিস্পত্তি করার সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সাধারণ ছুটিকালীন সময়ে নির্ধারণকৃত জামিন শুনানির ক্ষেত্রে ২৯ মার্চ হতে ক্রমানুসারে (দৈনিক কার্যতালিকার ক্রমানুসারে) শুনানি গ্রহণ করা হবে। ফলে আইনজীবীদের উল্লিখিত তারিখ হতে দৈনিক কার্যতালিকার ক্রমানুসারে আবেদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।