সগিরা মোর্শেদ হত্যা: অভিযোগ গঠন পিছিয়েছে

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   

 আদালত প্রতিবেদক

সগিরা মোর্শেদ সালাম         -ফাইল ছবি

সগিরা মোর্শেদ সালাম -ফাইল ছবি

তিন দশক আগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে গৃহবধু সগিরা মোর্শেদ সালাম হত্যা মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠনের ওপর শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ অক্টোবর ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে সময় আবেদন মঞ্জুর করে সোমবার চার্জ শুনানির এ তারিখ ধার্য করেন। ঘটনার সময় শিশু ছিল দাবি করে অপর আসামির বিচার শিশু আদালতে নেওয়ার আবেদন ওই দিন শুনানি হবে।

সোমবার মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু আসামি পক্ষের আইনজীবীরা মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাননি জানিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন, শাহিনের ভাই আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান ও শুটার মারুফ রেজা। এদিন আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিনের পক্ষে অব্যাহতির আবেদন দাখিল ও শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। তখন বিচারক বলেন, হাইকোর্ট মামলাটি দ্রুত নিস্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন। আপনি এর আগের বারও সময় চেয়েছেন। আবার কেন বার বার সময় চাচ্ছেন। আর কত? আমরা তাড়াতাড়ি বিচারে যেতে চাই।

বিচারক সময়ের আবেদনে 'সামনের তারিখে শুনানি করবেন' বলে আইনজীবী কাজলের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নেন। এ সময় অপর আসামি শুটার মারুফ রেজার পক্ষে আইনজীবী দেওয়ান আব্দুন নাসের তার বিচার শিশু আদালতে স্থানান্তরের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঘটনার সময় মারুফ রেজার বয়স ছিল ১৬ বছর ১০ মাস ২৬ দিন। সুতরাং তার বিচার শিশু আদালতে হবে। বিচারক আবেদনটি আগামী তারিখে শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেলে সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে বিআইডিএস কর্মকর্তা সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় রমনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্বামী সালাম চৌধুরী।

হত্যাকাণ্ডের ৩১ বছর পর গ্রেপ্তার সগিরার ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিন, শাহিনের ভাই আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান এবং শুটার মারুফ রেজা এই হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।