দেশে যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

একাত্তরে বাংলাদেশের সীমানার বাইরে না গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়া ও অংশগ্রহণকারীদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য প্রণীত যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপনের সংজ্ঞা সংশোধন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও বলা হয়েছে।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার একটি রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য রিটকারী ২৬ জনকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে স্বীকৃতি দিতেও রায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আহসান, এমাদুল হক ও বেলায়েত হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নুরুল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত টাঙ্গাইলের জেলা কমিটি সখীপুর উপজেলার ২৯৫ জনের নাম গেজেটভুক্তির জন্য সুপারিশ করে ২০০৪ সালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠায়। পরে তাদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়ায় ২০১৬ সালে সখীপুরের একেএম ফজলুল করিমসহ ২৬ জন হাইকোর্টে রিট করেন। তারা সবাই কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্য ছিলেন। 

ওই রিটে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- জানতে চাওয়া হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি সংক্রান্ত ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়েও রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সোমবার ওই দুটি রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় দেওয়া হয়।