রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর বাড্ডা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে মহানগর ডিবি পুলিশ।

প্রশ্ন ফাঁসের মূল হোতা আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি টেকনিশিয়ান মুক্তারুজ্জামান রয়েলসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার মহানগর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক শামীম আহম্মেদ। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য সাইবার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন আদালত। গতকাল শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, জনতা ব্যাংকের গুলশান শাখার কর্মকর্তা শামসুল হক শ্যামল, আব্দুল্লাহ আল জাবের, আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন, রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জানে আলম মিলন, পূবালী ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী রবিউল আউয়াল, পারভেজ মিয়া, মিজানুর রহমান মিজান, মোবিন উদ্দিন, সোহেল রানা, পরীক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম স্বপন, রাশেদ আহম্মেদ বাবুল, জাহাঙ্গীর আলম জাহিদ ও রবিউল ইসলাম রবি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাঁচটি ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে ১ হাজার ৫১১ জন জনকে নিয়োগ দিতে ২০২১ সালের ৬ নভেম্বর বিকেলে ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি ও পরীক্ষা সম্পাদনের দায়িত্বে ছিল আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আগেরদিন ৫ নভেম্বর রাতে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে এমন তথ্য আসে ডিবির কাছে। ডিবির টিমের সদস্যরা ছদ্মবেশে পরীক্ষার্থী সেজে পরদিন সকালে চক্রের অন্যতম হোতা রাইসুল ইসলাম স্বপনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বাড্ডা থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।