উচ্চ রক্তচাপ কমায় তিলের তেল

প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

তিলের বীজ ক্ষুদ্র হলেও এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন ই, বি কমপ্লেক্স ভিটামিন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ থাকে । এর থেকে তৈরি তেল শুধু রান্নার জন্যই নয়, চিকিৎসার ক্ষেত্রেও দারুণ উপকারী।

খাধ্য তালিকায় নিয়মিত তিলের তেল রাখলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. রান্নার তেলের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে তিলের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এটি রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

২. এই তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এতে থাকা ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন গবেষণায়, ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যতালিকায় তিলের তেল অন্তর্ভুক্ত করার কথাও প্রকাশ পেয়েছে।

৩. তিলের বীজের ব্যবহারে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকে। সেই সঙ্গে এটি ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে। প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবেও এ তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। 

৪. তিলের তেলে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখে। এতে থাকা কপার, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের জন্য দারুণ উপকারী। হাড়ের সমস্যাজনিত বিভিন্ন ধরনের ব্যথার নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে এই তেল।

৫. দাঁতের সমস্যা কমাতে প্রাচীন কাল থেকে তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মুখগহ্বর ও ক্ষুদ্রান্ত্র পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি দাঁত ঝকঝকে করতেও তিলের তেল অত্যন্ত উপকারী। 

৬. তিলের তেলে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

৭. এই তেল মাথার ত্বক এবং চুলে পুষ্টি জোগায়। এটি চুলকে ক্ষতিকারক ইউ ভি রশ্মি এবং দূষণ থেকে রক্ষা করে। তিলের তেল দিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে তা রক্ত সঞ্চালনের উন্নতি করে এবং চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। 

৮. তিলের তেলে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড মানসিক অস্বস্তি ও দুশ্চিন্তা দূর করতে সাহায্য করে। সূত্র : বোল্ড স্কাই