লকডাউনে ঈদ উদযাপন

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২০     আপডেট: ২৩ মে ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

এক মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিনটি গোটা বিশ্বের মুসলমানের জন্য আনন্দ আর খুশীর বার্তা নিয়ে আসে। কিন্তু এবারের ঈদের আমেজ এমদমই অন্যরকম। করোনা সংক্রমণের মধ্যেই এবার পালিত হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুর ফিতর । এই দিনে মুসলমানরা নামাজ পরার জন্য ঈদগাহে, মসজিদে একত্রিত হন। একে অন্যের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বাড়িতে বাড়িতে চলে রান্নার আয়োজন।

এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বই একটা কঠিন সময় পার করছে। করোনাভাইরাসের কারণে মানবজাতি শুধু স্বাস্থঝুঁকিতেই পড়েনি, বহু অর্থনীতি পঙ্গু করে  দিয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা এবং লকডাউনের নিয়ম অনুসরণ করেই কেবলমাত্র এই পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভব। তাই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ধর্মীয় নেতারাও এবার ঈদে মানুষকে জনাসমাগম এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। হচ্ছে না ঈদগাহে নামাজের আয়োজন। লকডাউনের মধ্যে নিজ নিজ বাড়িতে পরিবার সদস্যদের সঙ্গে নিরাপদ ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। লকডাউনে মধ্যে ঈদ উদযাপনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

বাড়ি সাজানো : বর্ণহীন এই ঈদে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। এতে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারবেন। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়স্বজনের অভাব কম অনুভব করবেন।

অনলাইনে দান : করোনার এই দুর্দিনে অনেক দাতা সংস্থাই দুঃস্থ মানুষদের সহযোগিতায় বড় ভূমিকা রাখছে। এক্ষেত্রে এসব অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়াতে বাইরে না গিয়ে আপনিও ভূমিকা রাখতে পারেন অনলাইন দান করে।

নিজেকে সাজান : এই ঈদে আপনি নতুন পোশাক কিনতে পারেননি। বাইরেও যেতে পারবেন না । তাকে কি। পুরনো কোন পোশাক পরেই সাজসোজ করুন। এতে কিছুটা হলেও মন ভালো থাকবে।

সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন :  আপনি হয়তো সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে ঈদে কারও বাড়িতে বা বাইরে যাচ্ছেন না। অনেকে সেটা না মেনে আপনার বাসায় যদি এসেই পড়ে তাহলে তাকে ফিরিয়ে দেবেন না। বরং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে তাকে আপ্যায়ন করুন। অতিথির সঙ্গে করমর্দন বা কোলাকুলি করা থেকে বিরত থাকুন। কথা বলার সময় অন্ততে এক মিটার দুরত্ব বজায় রাখুন। এ ছাড়া অতিথি আসলে তাকে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে উৎসাহিত করুন। অতিথির সঙ্গে কথা বলার সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।