ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

শীতে লিভার সুস্থ রাখতে মেনে চলুন কিছু টিপস

শীতে লিভার সুস্থ রাখতে মেনে চলুন কিছু টিপস

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫:২২ | আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫:২৩

শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল যকৃত। এই অঙ্গটি দেহ থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া থেকে শুরু করে বিপাকের হার নিয়ন্ত্রণ, হজমে সাহায্যকারী উৎসেচক তৈরিসহ একাধিক কাজ করে। এ কারণে সুস্থ-সবল জীবনযাপন করতে চাইলে লিভারের যত্ন নিতেই হবে।

শীত পড়তে না পড়তেই অনেকের মধ্যে নানা ধরনের মসলাযুক্ত ভারী খাবার, ফাস্ট ফুড খাওয়ার প্রবণতা কয়েকগুণ বাড়ে।  এসব খাবারে মজুত থাকা নানা উপাদান সরাসরি লিভারের ক্ষতি করে। এমনকী ফাস্টফুডের কারণেও ফ্যাটি লিভার এবং লিভার ফাইব্রোসিসের মতো অসুখে ভোগার আশঙ্কা বাড়ে। এ কারণে শীতে লিভারের যত্ন নেওয়ার জন্য কয়েকটি টিপস জেনে রাখুন। 

১. এই সময় লিভারকে সুস্থ রাখতে চাইলে আপনাকে বিভিন্ন রঙের শাক, সবজি এবং ফল খেতে হবে। এতেই দেহে ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। এমনকী এগুলিতে মজুত থাকা অত্যন্ত উপকারী কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়ক। এই সময় যতটা সম্ভব খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল, শাক ও সবজি রাখুন। 
 
২. ওজন বাড়লে লিভারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। মেদও জমতে পারে। এ কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এড়াতে ওজন কমাতেই হবে। লিভার সুস্থ রাখতে ফ্যাট জাতীয় খাবার ছেড়ে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শুরু করুন। সেই সঙ্গে দিনে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এই দুটি বিষয় মেনে চললেই লিভার সুস্থ থাকবে। 

৩. বিরিয়ানি, কাবাব, চপ, সিঙারার মতো ফাস্টফুডগুলি হল ফ্যাটের ভাণ্ডার। এইসব খাবারে অত্যন্ত ক্ষতিকর কিছু রাসায়নিক রয়েছে। তাই তো এইসব মুখোরোচক খাবার খেলেই লিভারের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়বে। এ কারণে সুস্থ-সবল থাকতে হলে এসব খাবার থেকে দূরে থাকুন। 

৪. শীতের দিনে শরীর গরম করতে অনেকেই নিয়মিত অ্যালকোহল পান করেন। এটা লিভারের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের মতো জটিল অসুখ থেকে দূরে থাকতে চাইলে কোনওমতেই অ্যালকোহল পান করা চলবে না। 

৫. নিয়মিত ব্যায়ামে লিভারের মেদ ঝরে যেতে সময় লাগবে না। এমনকী নিয়মিত শরীরচর্চা করলে লিভারের কার্যকারিতাও বাড়বে বহুগুণে। তাই শীতের দিনে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতেই হবে। আর যদি ব্যায়ামে অনীহা থাকে, তাহলে অন্তত একটু জোর গতিতে হাঁটুন। তাতেই উপকার মিলবে। লিভার ভালো থাকবে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরলের মতো ক্রনিক অসুখগুলিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

আরও পড়ুন

×