আপনি বাড়ির অন্যান্য কাজ করলেও একটি কাজ করা হচ্ছে না অথবা অতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তা হলো সোফা পরিষ্কার করা। বাড়ির সবাই মিলে আড্ডা দেওয়া থেকে শুরু করে ল্যাপটপ নিয়ে কাজের সময়েই হোক, অনেকটা সময় সোফায় বসেই কেটে যায়। অন্যান্য আসবাবের মতো সোফাও অপরিষ্কার হয়। সে জন্যই সোফা পরিষ্কার রাখাটা খুব জরুরি। কারণ খাবার কিংবা চা-কফির দাগ, পোষ্যদের লোম, ধুলা-ময়লা সবই কিন্তু জমা হচ্ছে ওখানে। তাই সোফা পরিষ্কার করতে হবে নিয়মিত। রইল কিছু টিপস-
সোফার গায়ে অনেক ময়লা জমে থাকে; যা অনেক সময় খালি চোখে দেখাও যায় না। তাই জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হলে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্যই খাঁজগুলো পরিষ্কার করবেন। সোফার কুশন বেশ নোংরা হয়। কিছু কুশন আছে, যেগুলোর ওপরের কভার খুলে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায়। কিন্তু কিছু কুশনের ক্ষেত্রে তা সেভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন।

অনেক সময় সোফায় দাগ পড়ে। সে ক্ষেত্রে সে দাগ মুছতে ব্যবহার করুন ব্রাশ। হালকাভাবে ঘষে দাগ তোলার চেষ্টা করুন। খুব জোরে ঘষা যাবে না। তাহলে সোফার ফেব্রিক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এভাবে যদি দাগ না ওঠে তবে ব্যবহার করতে পারেন বেকিং সোডা। অন্তত ৩০ মিনিট সোফার ওপরে বেকিং সোডা ছিটিয়ে রাখুন।

তারপর ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। সোফার কাঠ বা ধাতব অংশ মুছতে উষ্ণ পানির সঙ্গে ডিশওয়াশার লিকুইড মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটিতে পাতলা সুতি কাপড়ের টুকরা ভিজিয়ে মুছে ফেলুন। সোফার কাপড়ের দাগ তুলতে ঘরোয়া উপায়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন ক্লিনার।

লেদারের সোফা হলে ১/২ কাপ অলিভ অয়েল আর ১/৪ কাপ ভিনেগারের মিশ্রণ নিতে পারেন। আর ফেব্রিক আপহোলস্ট্রির জন্য ১/৪ কাপ ভিনেগার, ৩/৪ কাপ উষ্ণ পানি এবং ১ টেবিল চামচ ডিশওয়াশার লিকুইড মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি বোতলে ভরে দাগ লাগা জায়গায় স্প্রে করে নিন। তারপর নরম কাপড় দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষলেই দাগ উঠে যাবে। সবশেষে যদি বাড়তি পানি থাকে, তবে নরম তোয়ালের সাহায্যে মুছে ফেলুন। সোফা বাতাসে পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

মন্তব্য করুন