বাতাসে দূষণের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের ফুসফুস কোনও না কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার উপরে আবার করোনার সংক্রমণ ফুসফুসকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফুসফুস শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ফুসফুস অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়। তাই সুস্থ ও ফিট থাকতে গেলে ফুসফুসের যত্ন নেওয়া উচিত। এমন কিছু পানীয় আছে যেগুলি ফুসফুস সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। যেমন-

লেবু, আদা এবং গোলমরিচ : লেবু, আদা এবং গোলমরিচের চা মুলত প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে বিবেচিত হয়। এই চা শরীরকে বিষমুক্ত করে। লেবু চা মনকে সতেজ করে, আদা শক্তি বাড়ায় এবং গোরমরিচ গলা পরিষ্কার করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মধু এবং গরম পানি : মধু এবং গরম পানি ফুসফুসকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে খুবই কার্যকরী। মধুতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ কমায়। অন্যদিকে শরীরকে ডিটক্সিফাই করার জন্য হালকা গরম পানি বেশ উপকারী।

হলুদ এবং আদা : হলুদে শরীরের জন্য উপকারী কারকিউমিনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিটক্সিসিটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করে দিতেও সহায়তা করে। অপরদিকে, আদা বমি ভাব দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

গ্রিন টি : গ্রিন টিতে প্রচুর স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে, যার মধ্যে ফুসফুস পরিষ্কার রাখা অন্যতম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি, ফুসফুসের প্রদাহ কমাতেও বিশেষভাবে উপযোগী। আদা, লেবু অথবা মধু দিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক কাপ গ্রিন টি পান করলে উপকারিতা পাওয়া যায়।

যষ্টিমধু: যষ্টিমধুর চা সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ কিংবা জ্বর কমাতে দারুন কাজ করে। এমনকি এই পানীয়টি নিয়মিত গ্রহণ করলে, হৃদরোগ  হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং ফুসফুস পরিষ্কার রাখতেও সহায়তা করে।

এসব পানীয় ছাড়াও ফুসফুস সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ অত্যন্ত জরুরি।

মন্তব্য করুন