এখন আমের মৌসুম চলছে। নানা স্বাদের বাহারি সব আম পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। স্বাদের জন্য শিশু থেকে বয়স্ক সবারই এটা পছন্দের ফল। তবে অতিরিক্ত মিষ্টি হওয়ার কারণে কেউ কেউ আবার আম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। কারও কারও ধারণা, অতিরিক্ত আম খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। পুষ্টিবিদরাও অবশ্য আম খাওয়ার ব্যাপারে কিছু বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

আম শুধুমাত্র স্বাদে নয়, গুণেও অনন্য। এতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন এ, আয়রন, কপার এবং পটাশিয়াম রয়েছে।

আম একটি শক্তিশালী ফল। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি জোগায় এবং সারাদিন শরীর সক্রিয় রাখে।

আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশও থাকে যা হজমে সহায়তা করে।

দৈনিক চাহিদার ২৫ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’ এবং  ৭৬ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ ১০০ গ্রাম আম থেকে মিলতে পারে।

একটা মাঝারি আকৃতির আমে ১৫০ ক্যালরি থাকে। বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। এ কারণে অতিরিক্ত আম না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের ভাষায়, আম ফ্যাট, কোলেস্টেরল, লবণবিহীন গ্রীষ্মকালের সুপার ফল। এই ফল শরীরের জন্য দারুন পুষ্টিকর। কিন্তু তার মানে এই নয় সকাল, দুপুর এবং রাতে আম খেতে হবে। তাদের মতে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। আমের ক্ষেত্রেও তাই। অতিরিক্ত পরিমাণে আম খেলেও ওজন বাড়াতে পারে।

এছাড়া খাওয়ার পর আম খেলে শরীরে বেশি ক্যালরি যোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে সকালের নাস্তা খাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর কিংবা বিকালে আম খাওয়ার উপযুক্ত সময় বলছেন পুষ্টিবিদরা। সেই সঙ্গে রাতে আম না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।