করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে পড়াশোনা থেমে থাকতে পারে না। বাড়ি বাড়ি ঘুরে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য দুর্গম স্থানে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি উট। পিঠে থাকছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি গল্প-ছড়া-উপন্যাসের নানা বই। পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে উঁচু-নিচু মরুপথ পাড়ি দিয়ে দূরদূরান্তে শিক্ষার্থীর কাছে লাইব্রেরি নিয়ে হাজির হচ্ছে উট। প্রতি গ্রামে সপ্তাহে দু'দিন করে যায় সেটি। প্রথম দিন বই বিতরণ করে আর দ্বিতীয় দিন সেগুলো সংগ্রহ করে। উটটির নাম রোশান। এটি চালু করেছেন বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত জেলা কেজের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক রহিমা জালাল। নাম দিয়েছেন ক্যামেল লাইব্রেরি প্রজেক্ট। তাকে সহায়তা দিচ্ছে ফিমেল এডুকেশন ট্রাস্ট ও আলিফ লায়লা বুক বাস সোসাইটি নামের দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

বেলুচিস্তানে শিক্ষার হার ৫৬ শতাংশ আর নারীদের ২৪ শতাংশ। আবার কেজ জেলার অধিকাংশ মানুষ গরিব। তাদের না আছে অনলাইনে শিক্ষার সরঞ্জাম, না আছে ঘরে বসে শিক্ষার ব্যবস্থা। এ অবস্থা রহিমাকে ভাবিয়ে তুললে তিনি ও তার বোন মিলে উটের পিঠে করে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিচালনা শুরু করেন। সূত্র :দ্য গার্ডিয়ান।