বরগুনার পাথরঘাটা  বিএফডিসি পাইকারি মাছ বাজারে সাতশ’ পিস ইলিশ মাছ ১১ লাখ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে। শনিবার বিকেল চারটার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান তার মালিকানাধীন এফবি সাইফ ২ ট্রলারের মাছ বিক্রি করেন। প্রতিটি মাছের ওজন হয়েছে ১ কেজির ওপরে। খোলা ডাকে বিএফডিসি বাজারের আড়ৎদার মোস্তফা কামাল আলম প্রতিমণ সর্বোচ্চ ৭২ হাজার টাকা দরে সাবেক কাউন্সিলর মিরাজ হোসেনের কাছে মাছগুলো বিক্রি করেন।

মোস্তফা কামাল জানান, সাগরে ইলিশ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে উপকূলীয় এলাকায় প্রবল বর্ষণের পর গত ২৮ জুলাই পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবিরের আটটি মাছধরা ট্রলার জাল নিয়ে সাগরে যায়। মাছ ধরার ট্রলার গুলোর মধ্যে একটি ট্রলার আজ মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরেছে। সাগরে মাছ স্বল্পতার কারণে পাইকারি বাজারে মাছের দাম চড়া ছিল এ কারণে ৭০০ মাছের দাম ১১ লাখ টাকা হয়েছে। শত হিসেবে মাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিটি মাছের দাম পড়েছে দেড় হাজার টাকার ওপরে।

তিনি জানান, ৬৫ দিনের অবরোধের সময় ভারতীয় ট্রলারে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ায় সাগরে মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। আজকের পাথরঘাটা বাজারে ৩৭টি ট্রলারে মাছ বিক্রি করেছে। এর মধ্যে তিনটি ট্রলারে মাছ লাভের মুখ দেখেছে। অন্য টলারগুলো সম্পূর্ণ লোকসানে পড়ছে।

মোস্তফা গোলাম কবির জানান, আমার প্রতিটি ট্রলারে ২ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকার তেল ও রসদ সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। শুধু একটি ট্রলারে মাছ পেয়েছে। অন্যগুলো মাছ পাবে কিনা আমার সন্দেহ। যত টাকায় মাছ বিক্রি করি এখন পর্যন্ত আমরা লোকসানের মুখে আছি।

পাথরঘাটা বিএফডিসি পাইকারি মৎস্য বাজারের আড়তদার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জমাদ্দার জানান, এ বছর মৎস্য সিজনে গত ২৮ জুলাই থেকে মাছ ধরার ট্রলার সাগরে যাওয়ার শুরু করেছে। এই ট্রলারের দু-একটি আজ মাছ বিক্রি করেছে। অন্যান্য ট্রলারগুলো সাগর থেকে শূন্য হাতে ফিরেছে।