চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিবাদমান দুইটি পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শাহজালাল ও শাহ আমানত হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পক্ষ দুইটি হল- শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) ও সিক্সটি নাইন। সিএফসির নেতাকর্মীরা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সিক্সটি নাইন সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। সিএফসির নেতৃত্বে আছেন ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রেজাউল হক ও সিক্সটি নাইনের নেত্বত্বে আছেন সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়ে সিএফসির কর্মীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সিক্সটি নাইনের এক কর্মী। এ ঘটনার জের ধরে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের জের ধরে রোববার বিকেলেও দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। 

সিএফসি’র নেতৃত্বে থাকা ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ সভাপতি আল আমিন রিমন বলেন, ‘ক্যাম্পাসের জিলানী হোটেলের সামনে সিক্সটি নাইনের নেতাকর্মীরা আমার ওপর হামলা চালান। এসময় তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে। পরে সেখান থেকে সরে যাই আমি।’

সিক্সটি নাইনের নেতৃত্বে থাকা ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সদস্য সাইদুল ইসলাম জানান, তাদের এককর্মীকে একা পেয়ে সিএফসির কয়েকজন কর্মী ইট দিয়ে মারধর করেছে। এরপর খবর পেয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে তাদের প্রতিহত করেছেন।’

এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রেজাউল হক বলেন, ‘বিবাদমান সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিরোধ মেটানোর চেষ্টা চলছে।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হক ভুঁইয়া বলেন, ঘটনাটি শুনে তিনি পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যসহ ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।