সিলেটে সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে নগরীর কয়েকটি মন্দিরে রাতে পাহারা দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগের কর্মীরা।

রোববার রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা-অগ্নিসংযোগের সময় সিলেটেও হামলার ‘গুজব’ ছড়ায়। নগরীর উপকণ্ঠ মেজরটিলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সক্রিয় হয়। রাতভর মেজরটিলার নুরপুর এলাকার শ্যামসুন্দর মন্দির, নগরীর টিলাগড়ের গোপালটিলা মন্দির, আম্বরখানা মনিপুরী পাড়া ও বালুচরের দুর্গাবাড়ি মন্দির পাহারা দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সিলেট জেলা ছাত্রলীর সভাপতি নাজমুল ইসলাম বলেন, দুর্গাপূজার সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা হওয়ায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। গত রাতে রংপুরের ঘটনার পর জানতে পারি, মেজরটিলার শ্যামসুন্দর মন্দিরে হামলার আশঙ্কা আছে। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে দলীয় কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরগুলোয় পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দিই।

সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত বলেন, ছাত্রলীগের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তা আরও বড় পরিসরে প্রয়োজন। আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠন ও অন্যান্য প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল-ব্যক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন প্রয়োজন।