ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

শীতে কমলা কেন খাবেন 

শীতে কমলা কেন খাবেন 

কমলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৩:৩২ | আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৩:৩৯

কমলা এমন একটি সুপারফুড যা খেলে শরীর নানাভাবে উপকৃত হয়। বিশেষ করে শীতের দিন এ ফলটি  ইমিউন সিস্টেম বাড়ানো থেকে শুরু করে হৃদরোগের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। ডায়েটে এই সুস্বাদু ফলটি যোগ করার প্রচুর কারণ রয়েছে।

ঠান্ডা পড়ার সাথে সাথে আমরা শরীর গরম করার জন্য নানারকম আরামদায়ক খাবার খাই। এ ধরনের খাবারগুলির মধ্যে কোনো কোনো খাবারে ক্যালরি বেশি এবং পুষ্টির অভাব থাকতে পারে। এ কারণে আমাদের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল ও সবজি অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন সুপারফুড কমলালেবু কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়,এর নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে। শীতে খাদ্যতালিকায় কেন কমলা যোগ করবেন তা জানানো হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টিভি’র এক প্রতিবেদনে। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : কমলা ভিটামিন সি’র চমৎকার উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এই অপরিহার্য ভিটামিনটি শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদনকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে, যা সংক্রমণ এবং অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দায়ী।

হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো: কমলায় উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। পটাশিয়াম এমন একটি খনিজ যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এগুলিতে দ্রবণীয় ফাইবারও রয়েছে, যা রক্ত ​​প্রবাহে কোলেস্টেরলের শোষণকে ধীর করে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, কমলালেবুতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। 

পুষ্টিগুণে ভরপুর : কমলালেবুতে শুধু ভিটামিন সি ‘ই থাকে না, এতে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণও থাকে। এতে থাকা ফোলেট, ভিটামিন বি রক্তে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন করে। এটি স্বাস্থ্যকর কোষের বৃদ্ধির জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : কমলালেবুতে থাকা উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য। কোলোজেন ত্বককে দৃঢ় এবং স্থিতিস্থাপক রাখতে সাহায্য করে। কমলায় থাকা উপকারী উপাদান সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এবং ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে।

ওজন হ্রাসে সহায়তা করে : যারা ওজন কমাতে চান তারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমলা যোগ করুন। এতে থাকা পানি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ না করেই আপনাকে পূর্ণ বোধ করতে সহায়তা করতে পারে। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে। 

আরও পড়ুন

×