পুরুষদের তুলনায় নারীদের পিত্তাশয়ে পাথর হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম,মেনোপজের পর হরমোন ক্ষরণে ঘাটতি, গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার অভ্যাস, কম পানি খাওয়া ইত্যাদি কারণে পিত্তাশয়ে পাথর হওয়ার প্রবণতা বেশি হয়। নারীদের তুলনায় কম হলেও পুরুষদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

১. পিত্তাশয়ে পাথর হলে মাংস বা তেল মসলা জাতীয় খাবার খেলে পেটে ব্যথা হয়। সঙ্গে বমিও হয়।

২. মাঝেমাঝেই কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে । সেই সঙ্গে পেটে ব্যথা দেখা দেয়।

৩. পিত্তাশয়ে পাথর হলে অনেক সময় একইসঙ্গে অনেকে হেপাটাইটিসেও আক্রান্ত হন। এক্ষেত্রে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার মূল লক্ষণ পেটের ডান দিক থেকে ব্যথা শুরু হয়ে ডান কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছানো। এরকম হলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।