জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে খারাপ প্রভাব ফেলে। এই তালিকা থেকে বাদ যায় না কিডনিও ।খাদ্যাভ্যাসের ভুলত্রুটি এই অঙ্গটিরও ভীষণ ক্ষতি করে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একবার এই অঙ্গের ক্ষতি হলে পূর্বাবস্থায় ফেরানো যায় না। তখন কেবল রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, খারাপ খাবারদাবারের জন্য কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর থেকে কিডনিতে পাথর, ক্রনিক বা অ্যাকিউট কিডনি ডিজিজ, পলিসিস্টিক কিডনি ডিজজ ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়।

কিডনি সমস্যা হলে কিছু প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন-
 ১. সারা শরীরে ব্যথা
 ২.  ক্লান্তি গ্রাস করা
 ৩.  ত্বকে র‌্যাশ বের হওয়া
 ৪. প্রস্রাবের সমস্যা
 ৫. সবসময় রেগে থাকা
  ৬. প্রস্রাবে জ্বালা
  ৭. বেশি ঠান্ডা লাগা
   ৮. কম খিদে পাওয়া


তবে অনেক সময় এই রোগের তেমন কোনও উপসর্গের দেখা মেলে না। তখনই আসল সমস্যা শুরু হয়।

কিছু কিছু খাবার খেলে কিডনির ঝুঁকি বাড়ে। যেমন-

অ্যালকোহল
: অ্যালকোহলে থাকা ক্ষতিকারক পদার্থকে শরীরের বাইরে বের করে দিতে গিয়ে একসময় কিডনি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তবে এই সমস্যা একদিনে হয় না। দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল পান করলে এই সমস্যা প্রকট হয়ে ওঠে।

কফি : কফিতে ক্যাফিন থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কফিতে উপস্থিত বেশি পরিমাণ ক্যাফিন ক্রনিক কিডনি ডিজিজ তৈরি করতে পারে। তাই ক্রনিক কিডনি ডিজিজ থাকলে বা এই রোগ প্রতিরোধ করতে চাইলে কফি পান পরিমিত করতে হবে।

লবণ : লবণে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। শরীরে বেশি পরিমাণে সোডিয়াম থাকলে তরলে মাত্রা বেড়ে যায়। আর এই তরলের আধিক্য সামলাতে গিয়ে কিডনির সমস্যা বাড়ে।

রেড মিট
- : রেড মিটে প্রোটিনের মাত্রা সব থেকে বেশি থাকে। প্রোটিন বিপাকে কিডনির বড় ভূমিকা থাকে। তবে বেশি রেডমিট খেলে কিডনিকে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তখন সমস্যা দেখা দেয়। এতে কিডনির রোগ বাড়ে।

আর্টিফিসিয়াল সুইটনার : বর্তমানে ডায়াবেটিসের কারণে অনেকেই কৃত্রিম মিষ্টি খেয়ে থাকেন। এই ধরনের আর্টিফিসিয়াল সুইটনার বেশি পরিমাণে ব্যবহার করলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে।