তরুণদের শরীর যদিও প্রাকৃতিক নিয়মেই একটু তাগড়া থাকে, তবু শরীরকে সুঠাম ও রোগমুক্ত রাখতে আগ্রহের কমতি থাকে না। কমতি থাকে না শরীরচর্চা বা ব্যায়ামের। কিন্তু সময়-সুযোগ করে কঠিন ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করা কি সম্ভব? না, একটু দুরূহই বটে! চলুন, শরীর ফিট রাখার সহজ সাতটি ব্যায়ামের মুখোমুখি হই-

- স্কোয়াট বা ওঠা-বসায় উপকার হয় মাংসপেশির। অনেক ক্যালোরি খরচের পাশাপাশি এতে শরীর হয়ে ওঠে শক্তপোক্ত। হৃদযন্ত্রের গতি বাড়াতে লাফানোর অভ্যাসটা চালিয়ে যেতে পারেন। হাতে ডাম্বেল বা ভারী কিছু নিয়ে চর্চা করলে মাংসপেশির প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়বে।

- শেষ কবে দড়ি লাফ দিয়েছেন? সম্ভবত ছোটবেলায়। তাই না? স্কিপিংয়ের দড়ি কিন্তু অনেক সস্তা আর সহজে বহনযোগ্য। তাই আপনি যে কোনো জায়গায় চালিয়ে যেতে পারেন এর অনুশীলন। দড়ি লাফটা বাচ্চাদের সঙ্গেও চালিয়ে যেতে পারেন।

- আপনার মাংসপেশিকে উন্নত ও নমনীয় করার পাশাপাশি আলাদাভাবে শরীরের প্রত্যেক অঙ্গের উপকার করে এ ব্যায়াম। তা ছাড়া রক্ত চলাচল আর হৃদযন্ত্রের উপকারিতার পাশাপাশি উপকার পাবেন মাংসপেশিতেও। দিনে দুই বেলা ১০ বার করতে পারেন এ ব্যায়াম।

- সাঁতার খুব কার্যকর একটা ব্যায়াম। এতে প্রতিটি মাংসপেশিতে টান পড়ে। সাঁতারের অসংখ্য উপকারিতার মধ্যে রক্তচাপ কমানো, শক্তিশালী হূৎপিণ্ড আর ফুসফুসে শক্তি বাড়ানো উল্লেখযোগ্য।

- দৌড়ানোর অনেক উপকারিতার মধ্যে হতাশা কাটানো থেকে হৃদযন্ত্রের উন্নতি- সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী সব উপাদান আছে। দৌড়ানো অন্য যে কোনো ব্যায়াম থেকে বেশি কার্যকর। এর ফলে আপনার শরীর হতে পারে শক্তিশালী, ছিপছিপে, চটপটে ও দ্রুত।