টাকার জন্য কারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তা সামনের দিনগুলোতে পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান। খবর বিবিসির।

ব্রাসেলসে পশ্চিমা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের মিত্রদের এ যুদ্ধে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে রাশিয়া তার অর্থনৈতিক শক্তি প্রয়োগ শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার জি৭, ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মেলন ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে জেলনস্কি বলেন, আমরা জানি, রাশিয়া ইতোমধ্যে তাদের স্বার্থ রক্ষায় তোড়জোড় শুরু করেছে। এগুলো যুদ্ধের স্বার্থ। আমরা জানি, তারা কিছু অংশীদারের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছে।

‘আমাদের দৃঢ় অবস্থান এ তিন শীর্ষ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে’, যোগ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, এ তিন সম্মেলনে আমরা দেখতে পাব— কারা বন্ধু আর কারা অংশীদার এবং কারা টাকার জন্য আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

ইউরোপের প্রায় ৪০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করে রাশিয়া। ইউরোপীয় নেতারা মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে শক্তির বিকল্প উৎস খুঁজছেন।

ন্যাটোর সম্মেলনে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে জেলেনস্কির। এ সময় তিনি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনকি অস্ত্র চাইবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনারা।