চুলের যত্নে শ্যম্পুর পাশাপাশি কন্ডিশনারের প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই রাসায়নিক থাকায় কন্ডিশনার ব্যবহার করতে চান না। সেক্ষেত্রে বাড়িতে থাকা উপাদান দিয়ে তৈরি করতে পারেন প্রাকৃতিক কন্ডিশনার।

কন্ডিশনার হিসেবে ভার্জিন নারকেল, আমন্ড বা অলিভ তেলের কোনও বিকল্প নেই।  শ্যাম্পু করা হয়ে গেলে সাধারণ কন্ডিশনারের বদলে কয়েক ফোঁটা তেল হাতের তালুতে নিয়ে চুলের গায়ে ণাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট অপেক্ষার পর ধুয়ে নিন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে। গোসলের এক ঘণ্টা আগে মাথায় দই আর মধুর প্যাক লাগিয়ে শ্যাম্পু করুন। এতে চুল নরম হবে। এছাড়াও চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে আরও কন্ডিশনার তৈরি করে রাখতে পারেন। তবে দীর্ঘসময় না রেখে পনেরো দিনের মধ্যে ব্যবহার করতে পারলে ভালো হয়।

নারকেলের দুধ: নারকেল কোরা বেটে গরম পানিতে দিয়ে দুধ বের করে নিন। তার পর ঘন নারকেলের দুধ আর শ্যাম্পু মিশিয়ে নিন একসঙ্গে। এই মিশ্রণ ব্যবহার করেই শ্যাম্পু করুন। তার পর এক টেবিলচামচ মতো নারকেলের দুধ নিয়ে চুলে লাগিয়ে নিন ভালো করে। যদি মনে হয় চুল বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে, তা হলে চুল পানিতে ধুয়ে নিন। না হলে লাগিয়েও রাখতে পারেন। নারকেলের দুধে থাকা ভিটামিন বি, সি আর ই চুলকে উজ্জ্বল করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: গোসলে ঢোকার আগেই এক মগ পানিতে তিন টেবিলচামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করে নিয়ে এই মিশ্রণে চুল ধুয়ে নিন। মাথার তালু এবং চুলের প্রতিটি কোণে যেন এই মিশ্রণ পৌঁছায় তা নিশ্চিত করুন। এটি চুলে রেখে দেওয়া যায়, ধুয়ে নিলেও কোনও অসুবিধা নেই।

অলিভ অয়েল আর ডিম
: গোসলের কয়েক ঘণ্টা আগে অলিভ অয়েল, ডিমের কুসুম আর সামান্য পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন । চুলের দৈর্ঘ্যের মাঝ বরাবর থেকে আরম্ভ করে শেষ পর্যন্ত লাগান এই প্যাক। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ঢেকে রাখুন কয়েক ঘণ্টা। তার পর হালকা কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

কলা, অলিভ অয়েল আর মধু: কলা চুল থেকে পরিষ্কার করে ধোওয়া খুব মুশকিলের। তাই হাতে সময় থাকলে তবেই এই মাস্কটি ব্যবহার করুন। ব্লেন্ডারে কলা, তেল আর মধু দিয়ে মিহি করে ফেটিয়ে নিন। তার পর চুলে লাগিয়ে রাখুন কয়েক ঘণ্টা। শেষে মৃদু কোনও শ্যাম্পু ব্যবহার করে ধুয়ে নেবেন।

অ্যালোভেরা জেল আর লেবুর রস: চার চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে শ্যাম্পু করা চুলে লাগিয়ে নিন। দু’মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।