সৌদিগামী হজযাত্রীদের ফ্লাইট শুরু হচ্ছে ৫ জুন। ফ্লাইট পরিচালনার অনুরোধ জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

আগামী ৩ অথবা ৪ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হজ ক্যাম্প উত্বোধন করবেন। এসময় তিনি হজ ক্যাম্পে অবস্থানরত হজ যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর তারিখ নির্ধারণে অনুমতি পেতে সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। 

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবগামী শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্পন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

এ সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে আগামী ৩১ মে প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এরপর ধর্ম মন্ত্রণালয় সব প্রস্তুত্তি গ্রহণ করে।

সৌদি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার আগামী ৩১ মে ফ্লাইট শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ অংশে সৌদি আরব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি। পরবর্তীতে সৌদি সরকারের প্রস্তুত্তি সম্পন্ন সংক্রান্ত সবুজ সঙ্কেত পাওয়ায় ৫ জুন থেকেই ফ্লাইট চালু হচ্ছে। 

এ বিষয়ে ফরিদুল হক খান বলেন,  ২৩ মে রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ বাস্তবায়নকারী সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে এসে জানান-রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভের জন্য ৪০ জনের সৌদি টিম আগামী ২ জুনের আগে ঢাকায় এসে পৌঁছাতে পারবে না। প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এখনও ঢাকায় এসে পৌঁছেনি। এসব যন্ত্রপাতি সৌদির ওই টিমের সঙ্গে ঢাকায় আসবে। এসব যন্ত্রপাতি শাহজালাল বিমানবন্দরে ইনস্টল করতে কিছু সময় লাগবে। 

আগের সিদ্ধান্ত অনুসারে ৩১ মে প্রথম হজ ফ্লাইট শুরু কথা থাকলেও হজযাত্রীদের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি ও বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি অনুসারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে হজে গমনকারী বাংলাদেশের সব হজযাত্রী ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইটে সৌদি আরব যেতে পারবেন। একই সঙ্গে ঢাকায় তাদের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হবে।