বর্ষায় অনেকেরই চুল নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। কেউ আবার চুলে ডগা ভাঙা কিংবা কিংবা চুল ঝরার সমস্যায় ভোগেন। এ সময় চুলের পর্যাপ্ত আর্দ্রতা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে পাকা কলার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল প্রাণ ফিরে পাবে। যেভাবে তৈরি করবেন কলার মাস্ক-

কলা আর মধু : শুকনো চুলে আর্দ্রতা ফেরাতে এই মাস্কটি দারুণ কাজের। দুটো পাকা কলা ভালো করে চটকে তাতে দু’চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা মসৃণ হয়ে গেলে আধ ভেজা চুলে মেখে শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। আধ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

কলা আর অলিভ অয়েল
: একটা পাকা কলা চটকে নিন। তাতে দু’টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল মেশান। ব্রাশ দিয়ে পুরো চুলে ভালোভাবে মেখে নিন। শাওয়ার ক্যাপ পরে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। অলিভ অয়েলের বদলে নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

কলা, পেঁপে আর মধু
: চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল চকচকে করে তুলতে এই মাস্কটির জুড়ি নেই। একটা পাকা কলা আর চার-পাঁচ টুকরো পাকা পেঁপে একসঙ্গে চটকে মেখে নিন। তাতে দু’ চাচামচ মধু মিশিয়ে পাতলা করুন। গোটা চুল আর স্ক্যাল্পে মেখে নিন। শাওয়ার ক্যাপ পরে আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তারপর প্রথমে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন, তারপর শ্যাম্পু করুন।

কলা, দই আর মধু
: চুলে আর্দ্রতা জোগায়, খুশকিও দূর করে এই মাস্কটি। একটা পাকা কলা চটকে তাতে চার টেবিলচামচ টক দই আর দু’চাচামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। চুলের গোড়ায় আর চুলের দৈর্ঘ্য বরাবর মাস্কটা মেখে নিন। আধ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

কলা, ডিম আর মধু :
শুকনো চুলে বাড়তি আর্দ্রতা জোগায় এই মাস্ক। দুটি পাকা কলা চটকে তাতে একটা ডিম ভেঙে দিন। ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট বানান। ডিমের গন্ধ তাড়াতে কয়েক ফোঁটা সুগন্ধী ল্যাভেন্ডার, অরেঞ্জ বা লেমন এসেনশিয়াল অয়েল দিতে পারেন। পুরো চুলে ব্রাশ দিয়ে লাগান। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

কলা আর নারকেলের দুধ
: চুল ডিপ কন্ডিশনিং করতে হলে এই মাস্কটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। দুটো পাকা কলা আর আধকাপ নারকেলের দুধ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। কয়েক ফোঁটা মধুও যোগ করতে পারেন এর সঙ্গে। অল্প ভেজা চুলে লাগান, গোড়াগুলোয় ম্যাসাজ করুন হালকা হাতে। আধ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।