বর্ষাকালে ত্বক এবং চুল প্রাণহীন পড়ে। এছাড়া পেটের গণ্ডগোল, ত্বকে সংক্রমণ, চুলে খুশকিসহ নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকে বর্ষাকালে। এসব সমস্যা দূর করতে দারুণ সহায়ক হতে পারে নিমপাতা।

ত্বক : র‌্যাশ বা কোনও রকম ছোটখাটো সংক্রমণ কমাতে নিমপাতা ফুটিয়ে সেই পানিতে গোসল করুন। ব্রণর সমস্যা দূর করতে নিমপাতা এবং চন্দন একসঙ্গে বেটে মুখে লাগাতে পারেন। বর্ষায় আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় ঘাম বেশি হয়। ত্বক থেকে তেলও বেশি বেরোয়। ফলে গোসলের পানিতে কয়েকটা নিমপাতা ফেলে গোসল করলে উপকার পাবেন। নিমপাতার অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল গুণ ত্বকের সব রকম সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। নিমপাতা ফোটানো পানি একটা কাঁচের বোতলে করে ফ্রিজে রেখে সেটা টোনার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। আবার সেই পানির বরফ জমিয়ে সকালে উঠে বরফও ঘষতে পারেন মুখে। এতে ব্রণর সমস্যা অনেকটাই কমবে।

চুল : আবহাওয়া বদলালে মাথার পিএইচ মাত্রায়ও হেরফের হয়।  বর্ষায় চুল পড়া, মাথার তালু শুকিয়ে যাওয়া, খুশকির মতো সমস্যা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রেও নিমপাতা উপকারী। নিমপাতা বেটে মাথায় মাস্কের মতো লাগাতে পারেন। কিংবা নিমপাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে চুলও ধুতে পারেন।

স্বাস্থ্য : নিম-বেগুন বা নিমপাতা দিয়ে তৈরি কোনও খাবার খেলে পেটের সমস্যা কম হবে। পেটও পরিষ্কার থাকবে। নিমপাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় এই পাতার রস নিয়মিত খেলে রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

দাঁত
: মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে বা দাঁত জীবাণুমুক্ত রাখতে নিমের জুড়ি মেলা ভার। অনেক টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশেই তাই প্রধান উপকরণ নিম। অনেকেরই অভিযোগ বর্ষায় দাঁতের শিরশিরানি বেড়ে যায়। দাঁতের এমন সমস্যা নিরাময়ে উপকারী নিমপাতা। নিমডাল চিবাতে পারলেও দাঁতের পক্ষে ভাল।