মেধাবী শিক্ষার্থী মায়া খাতুনের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে ডায়ালাইসিস করে চিকিৎসা চলছে তার। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ঝিকিড়া মহল্লার মনিরুল ইসলামের মেয়ে মায়া খাতুন। উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী মায়া। জেএসসি পরীক্ষায় সে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছিল। কিছুদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করেছিল মায়া।

সম্প্রতি চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার দুটি কিডনিই অচল হয়ে গেছে বলে রিপোর্ট দিয়েছেন। বর্তমানে তার চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তার বাবা ঢাকায় একটি পোশাক কারখানার কর্মী। মা গৃহিণী। বাবার পক্ষে তার মেয়ের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। মায়া খাতুনকে বাঁচাতে তার অন্তত একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন।

বিছানায় শয্যাশায়ী মায়া খাতুন বাঁচতে চায়। উপযুক্ত চিকিৎসা নিয়ে সে ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। কিন্তু তার পরিবার এখন বড়ই অসহায়। মায়া খাতুন জানান, ‘তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ  সিরাজুল ইসলম ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে কিছু অর্থ উঠিয়ে তার চিকিৎসার জন্য দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।’

মায়া খাতুনের বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, মায়াকে বাঁচাতে মোটা অংকের টাকার প্রয়োজন। কিন্তু অভাবের সংসারে এই অর্থের যোগান দেওয়া কোনোভাবেই আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি তার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর : ০১৩১৭ ৭৯৫ ৯৪৭।