ঢাকার বায়ুদূষণ মহামারি পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সালে দেশে কিডনি রোগী হবে ৫০ লাখ।

আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর সুরক্ষা দিবস উপলক্ষে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস), পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার এক সেমিনারে বিশিষ্টজন এসব কথা বলেন। এর আগে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোড থেকে বেইলি রোড পর্যন্ত এক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ইউনুস মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী। এতে আরও বক্তব্য দেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক শহিদ আখতার হোসেন, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান ফাতিনাজ ফিরোজ, ইউএসএআইডির আশরাফুল হক, ইউএস ফরেস্ট সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রামের জাস্টিন গ্রিন, আবু মোস্তফা কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

সেমিনারে আলোচনা করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক গুলশান আরা লতিফা, সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা পারভীন ও সিনিয়র প্রভাষক মাহমুদা ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মারুফা গুলশান আরা এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি রিসার্চ ফেলো হুমায়ূন কবির। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ক্যাপসের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, পরিবেশ দূষণ কমাতে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে আমরা সোচ্চার নই। দূষণকারী উন্নত দেশগুলো থেকে আমরা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারছি না। স্থানীয়ভাবে আমরা যে পরিমাণ দূষণ করছি, তা ধারণার বাইরে।

তিনি বলেন, দেশে ক্যান্সার ও কিডনি রোগ বাড়ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে কিডনি রোগী হবে ৫০ লাখ। এত রোগীর ডায়ালাইসিস চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পরিবেশ দূষণের কারণে এ ধরনের অনেক দূরারোগ্য ব্যাধি বাড়ছে।

মূল প্রবন্ধে আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর আমাদের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষ, উদ্ভিদ, প্রাণী তথা পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।