মুটিয়ে যাওয়া সারাবিশ্বেই বিশাল সমস্যা। অতিরিক্ত ওজন একদিকে যেমন বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে, অন্যদিকে মানসিক অশান্তি, অবসাদ আর হীনম্মন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিছু সহজ ফর্মুলা বদলে দেবে আপনার জীবনধারা! মেদবিহীন সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য জিমে যাওয়ার সময় নেই।
এ জন্য আফসোস না করে নিজেই একটু উদ্যোগী হোন। প্রথমত বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন। ভাত খান নামমাত্র। প্রতিদিন হাঁটা, সাঁতার বা ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়ামের যে কোনো একটি বেছে নিন।

মোটা হওয়ার কারণ
-ওজন বাড়ার কারণ অতিরিক্ত খাওয়া এবং খাবার গ্রহণে অনিয়ম।
-ক্ষুধা নেই অথচ ভালো খাবার দেখলে খেতে ইচ্ছা করে। ফলে শরীরে মেদ জমে মোটা হয়ে যেতে থাকে মানুষ নিজের অজান্তে।
-শারীরিক পরিশ্রম কম করলেও ওজন বাড়ে।
-বংশগত কারণে অনেকের মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকে। খাবার যখন পাকস্থলীতে কম থাকে, তখন জিন শরীরে ফ্যাটের স্টোরেজ বাড়িয়ে দেয়। এর পর খাবার বেশি খেলে এবং শক্তি ক্ষয় কম হলে ওজন বেড়ে যায়।
-হাইপোথায়রয়েডিজমের রোগীরা থাইরয়েড হরমোনের অভাবে এবং প্রেডার উইলি, হলট ওরাম সিন্ড্রোমের রোগীরা জিনগত কারণে মোটা হয়ে থাকেন।
-ওজন কমানোর প্রাকৃতিক উপায় হলো- এমন ডায়েট মেনে চলা, যাতে বেশি পরিমাণে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকে। মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন এবং কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে।
-বিষণ্ণতায় আক্রান্ত রোগীরা ক্রমান্বয়ে মোটা হয়ে যেতে পারেন। যাঁরা মাইগ্রেনের ওষুধ পিজোটিফেন, অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ নিয়মিত সেবন করে থাকেন তাঁরাও মুটিয়ে যেতে পারেন ধীরে ধীরে।

সাধারণ ডায়েট টিপস
-যতই মিথ থাকুক; শরীরের শর্করা আহরণ ঠেকাতে সহজে আলু, কুমড়া, কাঁচকলা খাবেন না।
-ডুবো তেলে ভাজা কিছু খাবেন না।
-এনার্জি ড্রিংকস, হেলথ ড্রিংকস, সফট ড্রিংকস খাবেন না।
-চিনি একেবারেই খাবেন না।
-গরু ও খাসির মাংস, চিংড়ি মাছ বিশেষ উপলক্ষ ছাড়া সবসময় এড়িয়ে চলুন।
-যত বিখ্যাত হোক না কেন; আপনার ডায়েটিশিয়ান, নিজের খাদ্যাভ্যাস ও বাজেটের ওপর ভিত্তি করে ডায়েট চার্ট তৈরি করে নিন। কোন ধরনের কাজের সঙ্গে আপনি যুক্ত তার ওপর নির্ভর করবে ডায়েট চার্ট।
-খাদ্য তালিকায় ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যাতে যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
-প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ফল, শাকসবজি ও পানি পান করুন। া

[নিউট্রিশনিস্ট]