সাংসারিক চাপ ,কাজের চাপ, সন্তানের পড়াশোনা—সব মিলিয়ে জীবনটা একসময় একঘেয়ে হয়ে যায়। সারাদিন অফিস করে, বাড়ির কাজ সামলে সঙ্গীর সঙ্গে গল্প করারও ইচ্ছা থাকে না। ধীরে ধীরে কখন যে নিজেদের মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয় অনেকেই তা বুঝতে পারেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে সম্পর্কের যত্ন নিতে হয়। এজন্য কিছু টিপস অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-  

নিজেদের মধ্যে সম্পর্কটা সব সময় বন্ধুর মতো রাখুন। একে অপরের সঙ্গে ছোটখাটো ব্যাপার শেয়ার করুন। বন্ধুর প্রয়োজন আমাদের সারা জীবন হয়। তাই বন্ধুত্বের সম্পর্কটা সব সময় নতুন থাকে। এর থেকে একে অপরকে বুঝতেও সুবিধে হয়। চিন্তাভাবনা সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করুন। সব সময় কাজের কথা বলতে হবে, তার কোনও মানে নেই। অপ্রয়োজনীয় কথাও বলতে পারেন।

গল্প শুরু করেই সব সময় কথায় চলে যাবেন না। সন্তানের ভবিষ্যত, সংসার, চাকরির বাইরেও নিজেরা গল্প করুন। নিজেদের ছোটখাটো ভুল গুলো নিয়ে মজা করুন। একসঙ্গে সিনেমা দেখুন। কোনও ভাল বই পড়লে তা একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করুন।

কোনও সমস্যা হলে সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করুন। এতে নিজেদের মধ্যে ইমোশনাল বন্ডিং গড়ে উঠবে। সঙ্গী কোনও মতামত দিলে তা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। আপনার তা পছন্দ না হলেও একেবারে হেসে উড়িয়ে দেবেন না।

যাদের বেশ কিছুদিন বিয়ে হয়েছে, তারা সম্পর্কে নতুনত্ব আনার জন্যে সঙ্গীর কী পছন্দ সেদিকে খেয়াল রাখুন। গতানুগতিকতা ভেঙে হঠাৎ একদিন একে অন্যকে তার পছন্দের কিছু উপহার দিন।

ছুটির দিনে কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই কাছে কোথাও ঘুরে আসুন ।

সব সময় একে অপরের পাশে থাকার চেষ্টা করুন। সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না। সঙ্গী কোনও ভুল করলে তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন। নতুনত্ব বজায় রাখতে সবসময় নতুন জিনিস চেষ্টা করুন। আপনার সঙ্গীর পছন্দের কিন্তু আপনার অপছন্দের বলে যে সব জিনিস কখনও করেননি, হঠাৎ সেটা করে সঙ্গীকে সারপ্রাইজ দিন। তবে এটাকেই আবার রুটিন করে ফেলবেন না।