ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারীরা যা করতে পারেন 

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারীরা যা করতে পারেন 

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৬:২১ | আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৬:২৩

গোটা বিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। মেনোপজের পর তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি পুরুষদের সমান। এ কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারীদের সচেতন হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে ভারতীয়  চিকিৎসক ডা. ভি রাজশেখর বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। যেমন-

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সুষম এবং পুষ্টিকর খাদ্যতালিকা বজায় রাখা জরুরি। নারীদের হৃদরোগের জন্য উপকারী বিভিন্ন ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। খাদ্যতালিকায় স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট সীমিত করা, সেইসাথে সোডিয়াম গ্রহণ কমানো, সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো রাখে। খাদ্যাভ্যাসে ছোট, টেকসই পরিবর্তন সময়ের সাথে সাথে যথেষ্ট পার্থক্য আনতে পারে।

শারীরিক কার্যকলাপ হৃদরোগ প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে না বরং হৃৎপিণ্ডের পেশি শক্তিশালী করে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিটের ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা নাচের মতো কার্যকলাপের মাধ্যমেও এটি হতে পারে। 

মানসিক চাপ কমানো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যা প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যোগব্যায়াম, ধ্যান, বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো কার্যকলাপ মানসিক চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়তা করতে পারে।

হৃদরোগের ঝুঁকি মাতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও জরুরি। চিকিৎসকের পারামর্শে নারীদের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা, কোলেস্টেরল স্ক্রিনিং এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরীক্ষা করা প্রয়োজন । কারও পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে আগে থেকেই সাবধান হতে হবে। 

ধূমপান এবং অত্যাধিক অ্যালকোহল সেবনের মতো ক্ষতিকারক অভ্যাসগুলি এড়ানো হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে। ধূমপান হৃদরোগের জন্য প্রধান ঝুঁকি, কারণ এটি রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হৃদপিণ্ডে অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস করে। একইভাবে, অত্যধিক অ্যালকোহল গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদরোগজনিত নানা জটিলতা বাড়ায়। এ কারণে এসব অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন। সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি
 

আরও পড়ুন

×