ভারতের ললাটে সোভিয়েত বিভক্তির দিবাস্বপ্ন

প্রতিক্রিয়া

প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০১৯       প্রিন্ট সংস্করণ

ইশফাক ইলাহী চৌধুরী

গত ৪ নভেম্বর সমকালে শ্রদ্ধেয় ডা. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী 'ভারতের ললাটে সোভিয়েত বিভক্তি আসন্ন' শিরোনামে যে লেখাটি লিখেছেন, তার মধ্যে বেশ কিছু ভুল তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি রয়েছে। ফলে নিবন্ধটিকে পক্ষপাতদুষ্ট মনে হয়েছে। ওই লেখায় লেখক মূলত বলতে চেয়েছেন, ১৯৯১-৯২ সালে যেভাবে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল, ঠিক একই পরিণতি ভারতের ভাগ্যেও শিগগিরই ঘটতে যাচ্ছে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল- এর কারণ হিসেবে ডা. জাফরুল্লাহ্‌ বলেছেন, মূল কারণ হচ্ছে রুশ জাতিগোষ্ঠী দ্বারা অন্য জাতিগোষ্ঠীর ওপর 'অসম ব্যবহার ও অন্যায় আচরণ'। তিনি লিখেছেন, 'শাসকগোষ্ঠী ইসলাম ও খ্রিষ্টান ধর্ম পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি, রুশ ভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়ন ও বিকাশে বাধা দেওয়া, ভিন্নমতের কণ্ঠস্বরদের সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে কেবল রোধ নয়, ব্যাপকভাবে গুম ও নির্বাসন দেওয়ার শাসন চালু করেছিল।' ডা. জাফরুল্লাহ্‌ লিখেছেন, এগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার পেছনে বড় কারণ। এটা সত্যি যে, জোসেফ স্টালিনের দীর্ঘ শাসনামলে সোভিয়েত ইউনিয়নে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটেছিল; কিন্তু ১৯৫৬ সালে সরকারিভাবে স্টালিনের কর্মকাণ্ডের ব্যাপক নিন্দার মাধ্যমে এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি উদার, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন এগিয়ে যায়। এর ফলে আমরা দেখেছি, সোভিয়েত ইউনিয়নের অঙ্গ রাষ্ট্রগুলো শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও খেলাধুলাসহ জীবনমানের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি লাভ করে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে তাদের স্বকীয়ত্ব রক্ষার প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের কাছ থেকে সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়ে থাকত।

ভারতের ব্যাপারে ডা. জাফরুল্লাহ্‌ বলেছেন, 'সোভিয়েত বিভক্তির প্রায় সব উপাদান ভারত প্রজাতন্ত্রের জন্মকাল থেকে বিদ্যমান ছিল।' তিনি বলেছেন, 'মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর অহিংসার মূলমন্ত্র ভারত প্রজাতন্ত্রের ভাগ্য নির্ধারণে নিয়োজিত ব্রাহ্মণদের অন্তরে কখনও স্থান পায়নি।' তারা ক্রমাগতভাবে মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ ও মুসলমানসহ নিম্নবর্ণের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে আসছে। এই বক্তব্যটিও অতিরঞ্জন দোষে দুষ্ট। গান্ধীজির মন্ত্রে দীক্ষিতদের মধ্যে বিভিন্ন জাতি ধর্মের অনুসারী ছিলেন; এখানে উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণরা যেমন ছিলেন, তেমনই অব্রাহ্মণও ছিলেন। তিনি বলেছেন, ব্রাহ্মণরা ভারতের একচ্ছত্র শাসক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বস্তুত নরেন্দ্র মোদি ব্রাহ্মণ তো ননই, আসলে 'তেলী' সম্প্রদায়ভুক্ত নিম্নবর্ণের একজন হিন্দু।

ভারতের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে হিন্দি প্রচলনের জন্য 'অহিন্দি' ভারতীয়দের ওপর উত্তর ভারতের ব্রাহ্মণেরা চাপ সৃষ্টি করছে বলে লেখক যা লিখেছেন, আসলে তা ভাষা নিয়ে সৃষ্ট দীর্ঘ বিতর্ককে সরলীকরণেরই প্রচেষ্টা। ভারতের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এটা নিয়ে বিতর্ক স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু হয়েছিল এবং এখনও তা চলছে। এটা সত্যি যে, হিন্দি ভারতের সর্বাধিক কথিত ও প্রচলিত ভাষা; কিন্তু এটাও সত্যি যে, দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে হিন্দির গ্রহণযোগ্যতা অনেক কম। বিশেষ করে দাক্ষিণাত্যে হিন্দির বিরুদ্ধে ষাটের দশকে সহিংস আন্দোলন আমরা দেখেছি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে যদিও হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়েছে; কিন্তু প্রতিটি আঞ্চলিক ভাষাকে সেই রাজ্যের সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এমনকি আসামে বাঙালিদের আন্দোলনের ফলে অহম ভাষার পাশাপাশি বাংলাকে দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ভাষার যুদ্ধে ইংরেজিই এখন সর্বভারতীয় ভাষা স্থান করে নিচ্ছে। সরকারিভাবে না হলেও ইংরেজিই ভারতজুড়ে প্রচলিত ভাষা হিসেবে গৃহীত। সুতরাং ব্রাহ্মণদের চাপে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটা সত্যি নয়।

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ভারতের মুসলমানরা আজ অন্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের আজকের অবস্থান নিম্নবর্ণের হিন্দুদের চেয়েও পেছনে। এর জন্য দায়ী মূলত মুসলিম নেতৃত্ব, যারা স্বাতন্ত্র্যের নামে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন। একই সঙ্গে ক্ষমতাসীনরা মুসলিমদের ভোটের জন্য ইমাম, মোলল্গা, পীর এদেরকে খুশি করেছেন। ভারতজুড়ে গড়ে উঠেছে লক্ষাধিক মাদ্রাসা; কিন্তু গড়ে ওঠেনি মুসলিমদের জন্য আলীগড় বা জামিয়া মিলিল্গয়ার মতো একটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভারতজুড়ে প্রায় তিন লক্ষাধিক মসজিদ, হাজারো মাজার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মাদ্রাসা দারুল উলুম দেওবন্দ বহাল তবিয়তে আছে। আজমীরে খাজা মইনুদ্দিন চিশতির মাজার লাখ লাখ হিন্দু-মুসলমানকে আকৃষ্ট করে। মুসলমানদের প্রতি শাসকগোষ্ঠীর বিদ্বেষ থাকতে পারে; কিন্তু ধর্মীয় অনুশাসন পালনে বাধা প্রদান করা হয়- এ কথা লেখক কোথায় পেলেন জানা নেই।

জম্মু কাশ্মীরের ব্যাপারে লেখক বেশ কিছু ইতিহাস বিকৃতি ঘটিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ভারত সামরিক অভিযানে কাশ্মীর দখল করে নেয়। বস্তুত ১৯৪৭ সালের আগস্টে ভারত বিভক্তির পর কাশ্মীরের মহারাজার সামনে তিনটি পথ খোলা ছিল- স্বাধীনতা ঘোষণা, পাকিস্তান অথবা ভারতে যোগদান করা। এ ব্যাপারে তিনি পাকিস্তান ও ভারত উভয় সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় ২২ অক্টোবর ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্নেল আকবর খানের সমর্থনে সীমান্ত পেরিয়ে সশস্ত্র উপজাতীয়রা কাশ্মীরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন শহর, গ্রাম দখল করে ব্যাপক লুটতরাজ শুরু করে। অর্থাৎ পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ চালায়, ভারত নয়। যখন উপজাতীয়রা শ্রীনগরের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়, তখন মহারাজা হরি সিংহ ভারতের সাহায্য প্রার্থনা করেন। তখন নেহরু শর্ত দেন যে, মহারাজা ভারতে যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করার পরই ভারত সাহায্য করবে। মহারাজা ভারতে যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করার পরপরই ২৬ অক্টোবর ভারতীয় সেনাবাহিনী শ্রীনগর বিমানবন্দরে অবতরণ করে এবং সেখান থেকে মহারাজার বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয়ে উপজাতীয়দের পিছু হটতে বাধ্য করে। এই পর্যায়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘের প্রচেষ্টায় ১ জানুয়ারি ১৯৪৯ সালে যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। উভয় দেশের সৈন্য যেখানে যে অবস্থায় ছিল, সেখানে সে অবস্থায় রেখে একটি যুদ্ধবিরতি রেখা টানা হয়, যা অন্তর্বর্তীকালীন সীমানা হিসেবে গণ্য হয়। জাতিসংঘের প্রস্তাবে ছিল যে, পাকিস্তান তার সব সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনী কাশ্মীর থেকে সরিয়ে নিয়ে যাবে। তবে ভারত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য কাশ্মীরে সীমিত পরিসরে সেনাবাহিনী রাখতে পারবে। কথা ছিল, পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে গণভোটে কাশ্মীরবাসী তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; কিন্তু পাকিস্তান কখনোই তার সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করেনি। ফলে ভারতও সেখানে প্রচুর সেনা মোতায়েন করে রেখেছে।

ডা. জাফরুল্লাহ্‌ লিখেছেন, 'জালিয়ানওয়ালাবাগ প্রতিবাদের প্রাণপুরুষ ব্যারিস্টার সাইফুদ্দীন কিসলুকে ভারতের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।' কিন্তু বাস্তবতা হলো, সাইফুদ্দীন কিসলু ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অগ্রবর্তী সৈনিক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ১৯২৪ সালে তিনি অল ইন্ডিয়া কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। দিল্লির জামিয়া মিল্লিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টিতে তার অবদান চিরসরণীয়। ১৯৬৩ সালে তার মৃত্যুতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরু বলেছিলেন, 'আমি একজন অতিপ্রিয় বন্ধুকে হারিয়েছি, যিনি ছিলেন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অসমসাহসী নেতা।' ভারতের পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় কিসলু স্মরণে কিসলুনগর নামে একটি এলাকার নামকরণ করা হয়েছে।

ডা. জাফরুল্লাহ্‌ লিখেছেন, ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে মাওলানা আজাদ, হাকিম আজমল, কর্নেল শাহনেয়াজ প্রমুখের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে; কিন্তু বাস্তবে চিত্রটি ভিন্ন। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, হাকিম আজমল খানসহ সবাইকেই স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে আবুল কালাম আজাদ ও হাকিম আজমলের নামে ডাকটিকিট প্রকাশসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছে। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ একজন সর্বভারতীয় নেতা হিসেবে সবার কাছেই শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং আইআইটি, সর্বভারতীয় মেডিকেল ইনস্টিটিউট, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ও জামিয়া মিল্লিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন তার সময়েই হয়েছিল।

ডা. জাফরুল্লাহ্‌ লিখেছেন, ভারতের ইতিহাসে কর্নেল শাহনেওয়াজ অনুপস্থিত। কিন্তু নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহযোদ্ধা কর্নেল শাহনেওয়াজ খানকে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ সরকার কোর্ট মার্শালের সম্মুখীন করে, তখন জওহরলাল নেহরুসহ ভারতের প্রথম সারির আইনজীবীরা তার পক্ষে আদালতে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বাধীনতার পরে শাহনেওয়াজ খান কংগ্রেসে যোগ দেন। রেলওয়ে, গ্যাস, কৃষি, শ্রমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও বিভিন্ন কমিশনে উচ্চপদে আসীন ছিলেন। আমৃত্যু কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ্‌ লিখেছেন, ভারতের মধ্যাঞ্চল মাওবাদী নকশালদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং অচিরেই তারা সেখানে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু বাস্তবপক্ষে মাওবাদী তৎপরতা গত এক যুগ থেকে কমে বর্তমানে প্রায় নিঃশেষের পর্যায়ে এসেছে। শক্তি প্রয়োগ, সেই সঙ্গে আর্থসামাজিক উন্নয়নের ফলে মাওবাদীদের তৎপরতা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।

ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে তার ফেডারেল শাসন পদ্ধতি, যেখানে কেন্দ্রের সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। যেসব ব্যাপারে প্রদেশের ক্ষমতা রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। ভারত যদি তার গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারে এবং সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর প্রতি ন্যায়বিচার, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও সর্বভারতীয় জাতিসত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে, তাহলে সমসাময়িক বিশ্বে ভারত একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে। তবে এটাও সত্যি, পৃথিবীর মানচিত্র সতত পরিবর্তনশীল। অর্ধশতাব্দী পূর্বের বিশ্ব মানচিত্র আর আজকের মানচিত্রে যেমন বিশাল পার্থক্য, ঠিক একইভাবে ৫০ বছর পরে পৃথিবীর মানচিত্র কীরূপ নেবে, তা কেউই বলতে পারবে না। তবে আগামী দিনগুলোতে ভারত যে বিশ্বের একটি আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, সে ব্যাপারে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা একমত। সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো ভারত অচিরেই খণ্ড-বিখণ্ড হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।

নিরাপত্তা বিশ্নেষক; অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমডোর; ট্রেজারার, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক