কিশোরগঞ্জে বালিশ পেলেন কয়েদিরা

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০১৯      

কিশোরগঞ্জ অফিস

বালিশ পেলেন কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিরা- সমকাল

'জেলখানার সম্বল, থালা-বাটি কম্বল; এ ছাড়া অন্য কিছু মেলে না'-শিল্পীর গানের মতো কারাবন্দি আসামির এমন আকুতির অবসান হলো কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে। এ জেলখানার সম্বলে কম্বলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বালিশ। এখন থেকে বালিশে মাথা রেখেই রাতে ঘুমুতে পারবেন কারাগারটিতে থাকা বন্দিরা। 

বুধবার কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের মধ্যে বালিশ বিতরণ করা হয়েছে। বালিশ বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বাহাদুর মিয়া, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান, জেল সুপার মো. বজলুর রশীদ, কারাধ্যক্ষ মো. বাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

কারাধ্যক্ষ মো. বাহারুল ইসলাম জানান, জেলা কারাগারে বর্তমানে ১৩৫০ বন্দি অবস্থান করছেন। তাদের জন্য ১৩৭৪টি বালিশ সরবরাহ করা হয়েছে। কারাবন্দি সাইদুল হক, রজব আলীসহ আসামিরা বালিশ পেয়ে খুব খুশি। তারা জানান, এতদিন মেঝেতে মাথা রেখে ঘুমাতে সমস্যা হতো। এখন বালিশ পেয়ে স্বস্তিতে ঘুমানো যাবে।

জেল সুপার মো. বজলুর রশীদ জানান, কারাগারে বালিশ ব্যবহারের কোনো বিধি বা নিয়ম এতদিন ছিল না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্দিরা রাতের বেলা যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারেন, সে জন্য বালিশ ব্যবহারের কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ বলেন, কারাগারকে এখন কারাগার না বলে সংশোধনাগার বলা উচিত বলে মনে করি। কারণ কারাগারে বর্তমানে সব ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে প্রতিদিন ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে জুতা তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে অসংখ্য বন্দি জড়িত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবদান রাখছেন।