ময়মনসিংহে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০১৯      

ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতদের একজন মাদক ব্যবসায়ী এবং অন্যজন গণধর্ষণ মামলার আসামি। 

ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরপুলিয়ামারি এলাকায় মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে কিছু মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে এমন খবরের ভিত্তিতে রোববার রাত সাড়ে ১২ টায় ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে জনি মিয়া (২৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে পুলিশ। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত জনির বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ১১টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইন ও ১টি স্টিলের চাকু উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিবির এসআই আকরাম ও কনস্টেবল মতিউর রহমান। বন্দুকযুদ্ধে ১৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পুলিশ।

এদিকে ফুলবাড়ীয়া থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় তরুণী গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম (২০) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার কৈয়ারচালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। গত ৩ আগস্ট ফুলবাড়িয়া উপজেলার পলাশতলী গ্রামের এক তরুণীকে বাড়ির পাশে নিয়ে তিন বখাটে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। রোববার তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই তরুণী। 

ওসি জানান, রোববার রাত ২টার দিকে কালাদহ ঈদগাহ এলাকায় ধর্ষণকারীরা অবস্থান করছে এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুঁড়ে তারা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা ৬ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে আহত হয় জহিরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ফুলবাড়িয়া থানার এসআই আকবর ও কনস্টেবল হেলিম আহত হয়েছেন।