আমি সময়ের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করি। যদিও সব সময় পারি না। আজকাল বাচ্চারা তো অনেক এগিয়ে গেছে। একটুখানি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা আর কি। যদিও নানা ব্যস্ততার মধ্যে থাকি। তার পরও মেসেঞ্জারে যারা আমাকে কিছু লেখে, তাদের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। কেউ কিছু লিখলে, উত্তর না দিলে খারাপ লাগে।

জানতাম, বিয়ের পর স্ব্বামীর বয়স নিয়ে কথা উঠবে। যাঁরা এসব লেখেন, না লিখতে পারলে ভালো থাকবেন না তাঁরা। না লিখতে পারলে তাঁদের মন খিটখিট করবে। আমাকে দু-তিনটা গালি দিতে না পারলে উল্টা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করবেন তাঁরা। তবু তাঁরা শান্তিতে থাকুন, সুখে থাকুন, সুস্থ থাকুন। তাঁদের জন্য শুভকামনা।

একাকিত্বকে আমার ভীষণ ভয়। এই দু'দিনে আমার ফেলো ফিল্মমেকাররা শনিবার বিকেল মুক্তির দাবিতে যেরকম স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সোচ্চার হয়েছে, তাতে বহুবারই আমার চোখ ভিজেছে। সাধারণত এসব প্রতিবাদ অর্গানাইজ করতে হয় ফোন করে, মিটিং করে। কিন্তু আমি তো কাউকে ফোন করিনি, কথাও বলিনি।

'পরাণ' ছবির সাফল্যে দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেল। এখন তো ছবি বানাতে গেলে চিন্তা থাকবে আগের চেয়ে আরও ভালো করার। 'পরাণ' আমার সেরা ছবি নয়, কারণ এটি ২০১৯ সালে বানানো। তখন আমি এতটা ম্যাচিউরড ছিলাম না। আস্তে আস্তে আরও ম্যাচিউরড হয়েছি। তাই এখন আরও ভালো ভালো কাজের চেষ্টা করছি।

আমার পরে এসে অনেকেই ভালো কাজ পেয়েছেন কিন্তু আমি কারও কাছ থেকে সাপোর্ট পাইনি। আমি কি অভিনয় পারি না? এসব ভেবে মানসিকভাবেই অনেক সময় কষ্ট পেয়েছি। পরিবার আমাকে পেশাগত জায়গায় স্বাধীনতা দিয়েছিল। তাই মন খারাপ হলেও অভিনয় ছেড়ে দিতে চাইনি, কচ্ছপগতিতেই কাজ করে চলেছি।