ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

সার্নের গবেষণাগারে ভূতুড়ে কণা

সার্নের গবেষণাগারে ভূতুড়ে কণা

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ১০:০০ | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ১০:০০

ঈশ্বরকণার পর এবার পাওয়া গেল 'ভূতুড়ে কণা'। বিশ্বের বৃহত্তম গবেষণাগার সার্নের একটি কেন্দ্রে শনাক্ত করা হয় এই কণা। সুইজারল্যান্ডের জেনেভার অদূরে সার্নের কণা ত্বরক যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে (এলএইচসি) নতুন একটি শনাক্তকারী বসানো হয়েছে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই শনাক্ত হয় নিউট্রিনোস নামের কণা।

৯ বছর আগে এলএইচসিতেই প্রথম ধরা দিয়েছিল ঈশ্বরকণা। পদার্থবিজ্ঞানের পরিভাষায় যার নাম 'হিগ্‌ স বোসন', যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটনের চেয়ে বহু গুণ ভারী। নতুন কণা আবিস্কারের বিষয়টি বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এর ফলে ভবিষ্যতে এলএইচসিতেই জানা যেতে পারে প্রায় এক হাজার ৪০০ কোটি বছর আগে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ম্ফোরণের পর এই ব্রহ্মাণ্ডে কোন কোন কণার জন্ম হয়েছিল। ব্রহ্মাণ্ডটা ঠিক কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং তার বিকাশ ঘটেছিল। সেই বিকাশের পথে আদিমতম কণাগুলো কীভাবে বদলেছিল।

সার্নের 'ফাসার' প্রকল্পের সহপ্রধান যুক্তরাষ্ট্রের আরভিনে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক জোনাথন ফেং বলেছেন, 'এর আগে কোনো পার্থিব প্রযুক্তিতেই নাগাল পাওয়া সম্ভব হয়নি এই ভূতুড়ে কণার। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ভবিষ্যতে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আরও নিখুঁতভাবে জানা যাবে। তাতে ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরুর দিকের ইতিহাস জানার কাজটা সহজ হতে পারে।'

ফিজিক্যাল রিভিউ নামের সাময়িকীতে প্রকাশ হওয়া নিবন্ধে বলা হয়েছে, নিউট্রিনোসের ভর নেই বললেই চলে। ছোটে প্রায় আলোরই গতিবেগে। বিগ ব্যাংয়ের পরই এগুলোর জন্ম হয়। ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্রই এসব আছে। ভূতুড়ে এসব কণার ছোটার পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। সূত্র :লাইভস সায়েন্স।

আরও পড়ুন

×