তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান সম্প্রসারণে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি শেভরনের সঙ্গে সম্পূরক চুক্তি সই হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যমান দুটি চুক্তির সংশোধনও হয়েছে ৷

রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোঁনারগাও হোটেলে এই চুক্তিগুলো সই হয়। চুক্তিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষে উপসচিব মোছা. মোর্শেদা ফেরদৌস, পেট্রোবাংলার পক্ষে কোম্পানি সচিব (ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক) রুচিরা ইসলাম এবং শেভরনের পক্ষে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার সই করেন।

অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. মো: হেলাল উদ্দিন ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার, পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) প্রকৌশলী মো. শাহীনুর ইসলাম, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর মুহাম্মদ ইমরুল কবির সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ৷

স্থলভাগের ১২ নম্বর ব্লকের জন্য শেভরনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) সম্পূরক চুক্তি সই হয়েছে ৷ এর লক্ষ্য বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের বর্ধিত এলাকায় নতুন কূপ খনন। বর্তমানে বিবিয়ানায় শেভরনের কূপ সংখ্যা ২৬। শেভরন বর্ধিত এলাকায় ২০২৩ সালে ২৭ নম্বর উন্নয়ন কূপ খনন শুরু করবে। পরবর্তীতে ২৮ নম্বর কূপ খননের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া ১৩ ও ১৪ নম্বর ব্লকের জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস ও কনডেনসেটের সংশোধিত ক্রয়চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বর্তমানে বিবিয়ানা থেকে দৈনিক ১১৯ কোটি, জালাবাদ থেকে ১৮ কোটি, মৌলভীবাজার থেকে ১.৭৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস তুলছে শেভরন ৷ এছাড়া বিবিয়ানা ও জালালাবাদ থেকে প্রচুর কনডেনসেট পাওয়া যায় ৷