সংসদ ভবনের মূল নকশা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০১৮     আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা- ফাইল ছবি

জাতীয় সংসদ ভবনের লুই আই কানের মূল নকশা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। সোমবার সংসদের বৈঠকে মাগরিবের নামাজের বিরতির সময় দক্ষিণ প্লাজায় এই নকশা প্রদর্শন করা হয়। 

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা নকশার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির ভবনের স্থাপত্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবনের নকশা এবং নির্মাণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তিনি নকশা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, মূল নকশায় সংসদের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। তবে তার আকার খুবই ছোট। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই স্থানে প্রতিবন্ধীদের জন্য রক্ষিত স্কুলের জমি অন্য স্থান থেকে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই সেখানে বড় আকারেই মসজিদ করা যেতে পারে।

লুই আই কানের মূল নকশা আনার আগে সংসদের বৈঠকে পূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, মূল নকশা আসার পরই সংসদ ভবনসংলগ্ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে গতকাল বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জিয়ার কবর সরানো হবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত তার জানা নেই। কারণ এটা সংসদের ভেতরের কোনো বিষয় নয়। 

এদিকে সোমবার নকশা প্রদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সামনে জিয়ার কবরের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে সেখানে উপস্থিত একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

এদিন মূল নকশা প্রদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদের সিনিয়র সচিব ড. আবদুর রব হাওলাদার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব শহিদুল্লাহ খন্দকার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব সাজ্জাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিমসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।