রাজনীতি

বাঙালিদের দাবিয়ে রাখা যায়নি, যাবে না: জয়

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০১৫     আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৫      

সমকাল প্রতিবেদক

সজীব ওয়াজেদ জয়- ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাঙালি এক হয়ে এগিয়ে আসলে তাদের কেউ কখনো হারাতে পারে না। দাবিয়ে রাখতে পারে না। অতীতে বহুবার বাঙালিরাই তার প্রমাণ দিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, আমাদের দাবিয়ে রাখার চেষ্টা অতীতেও সফল হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।
 
মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে সেন্টার ফর রিসার্স অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শতাধিক তরুণের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগ। আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যেই যার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সেই দলটি বেশ ভালোভাবেই জানে কিভাবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।
 
অনুষ্ঠানে তরুণরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান। খুব স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই তরুণদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
 
সরকারের অর্জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, একাত্তরের আগে থেকে ষড়যন্ত্র ছিল। ২০০৮ এর পর থেকেও ষড়যন্ত্র চলছে। একের পর এক চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি আমরা ভালো কাজ করছি। তাই জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। তাই ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেরাই ধরা পড়ে যাচ্ছে।
 
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র অনেকেই করছে। শুধু দেশে নয়,বিদেশেও। বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াক এটা যারা চান না তারই এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। অনেক দেশও আছে এই তালিকায়। তাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ তাদের হুকুমমতো চলুক। তারা আমাদের অসাম্প্রদায়িকতার নীতি নষ্ট করে সাম্প্রদায়িক খিলাফত হিসেবে প্রতিষ্ঠার করতে চাইছেন।
 
জয় বলেন, এরকম ‘ষড়যন্ত্রকারী’ বাংলাদেশেই আছে। অনেকেই আছে তারা শুধু ক্ষমতায় যেতে চায়। তাই ক্ষমতার লোভে তারা সারাক্ষণ ষড়যন্ত্র লেগে আছে। 
 
ষড়যন্ত্র মোকাবেলার ক্ষমতা নিজেদের রয়েছে জানিয়ে জয় বলেন, আমরা ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে জানি। একাত্তরে অনেক শক্তিশালী দেশ চেষ্টা করেছিল আমাদের স্বাধীনতা ঠেকাতে, পারেনি। ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় এসময় তরুণদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
 
পদদ্মা সেতু নিয়ে এক প্রশেুর জবাবে জয় বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রটা কোথায় সরাসরি আমি জানতে পেরেছি।  এটি সম্পূর্ণ একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল। দুঃখের বিষয় ওই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমাদের একজন ‘মহান’ বক্তিও জড়িত ছিলেন।
 
প্রায় দুই ঘণ্টার লেটস টকে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ (এমডিজি), জাতিসংঘের দেওয়া নতুন লক্ষ্যমাত্রা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পুরণের প্রস্তুতি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
 
জয় বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ার প্রতিশ্রুতি ছিলো আওয়ামী লীগ সরকারের। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ছয় বছর আগে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পেয়েছি আমরা। এতে আমরা তাতে সন্তুষ্ট না। আমরা আরও বেশি স্বপ্ন দেখি। ২০৪১ সালের মধ্যে এই দেশকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধশালী একটি দেশ হিসেবে দেখতে চাই আমরা।
 
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
তারিখ সেহরি ইফতার
১৯ মে '১৯ ৩:৪৫ ৬:৩৯
২০ মে '১৯ ৩:৪৪ ৬:৪০
*ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার জন্য প্রযোজ্য
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ