রাজনীতি

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসামূলক সরকারি বিচারে কারাবন্দী: রিজভী

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খালেদা জিয়া সুবিচারে নয়, প্রতিহিংসামূলক সরকারি বিচারে কারাবন্দী। তার জামিন বারবার বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি একের পর এক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও তা নানা কায়দায় আটকে দিচ্ছে সরকার। সরকারের নির্দেশে এবং সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি কারাগারে বন্দি আছেন।

রোববার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির শুক্রবারের জনসভার বক্তব্য নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া গ্রহণযোগ্য নয় মন্তব্য করে রিজভী বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকালের জনসভায় বিপুল মানুষের সমাগমই প্রমাণ করে জনগণ এই সরকারকে আর চায় না।

শুক্রবার রাতে ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি নির্ভর করছে আদালতের ওপর। আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তার মুক্তি সম্ভব নয়, এক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকার পদত্যাগের বিএনপির দাবি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। 

ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যতই ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টা হোক না কেন, আওয়ামী লীগকে এবার বিদায় নিতেই হবে। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সরকারকে পদত্যাগ করে সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিতে হবে এবং নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকারের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, জালিয়াতির মেশিন ইভিএম ব্যবহার নিয়ে নীলনকশা বন্ধ করুন। পৃথিবীর যেসব দেশে ইভিএম চালু করা হয়েছিল, তারাও এ পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্বব্যাপী যখন সন্দেহপ্রবণ এই মাধ্যম বন্ধ করে দিচ্ছে, তখন ভোটারবিহীন এই সরকার ইভিএম মেশিন চালু করতে এত উৎসাহী কেন, তা সুস্পষ্ট। সরকারের দুরভিসন্ধি জনগণের কাছে ধরা পড়ে গেছে।