রাজনীতি

উপজেলা নির্বাচন

প্রার্থী বাছাইয়ে প্রাধান্য পাচ্ছে কেন্দ্রের জরিপ

আরও ১২২ জন পেলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন শতাধিক নতুন মুখ

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯     আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯       প্রিন্ট সংস্করণ     

অমরেশ রায়

তৃণমূলের সুপারিশ নিয়ে নানা অভিযোগ ওঠায় কেন্দ্রীয় জরিপকে প্রাধান্য দিয়েই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বেছে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। তবে যেসব স্থানে সুপারিশে থাকা প্রার্থীদের নিয়ে কোনো বিতর্ক ওঠেনি, সেসব স্থানে তৃণমূলের সুপারিশও আমলে নেওয়া হচ্ছে। একই কারণে কিছু ক্ষেত্রে তৃণমূল থেকে একক প্রার্থীর নাম সুপারিশ করা হলেও তাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলীয় এ 'কৌশলের' কারণে বেশিরভাগ উপজেলায় তুলনামূলক যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীরাই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় এক ধরনের স্বস্তি দেখা দিয়েছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও।

তবে কিছু উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়ে কিছুটা ক্ষোভও রয়েছে। কয়েকটি স্থানে নতুন প্রার্থী বেছে নিতে গিয়ে বাদ পড়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান অথবা জনপ্রিয় নেতারা। মনোনয়নপ্রত্যাশী এসব নেতা ও তাদের সমর্থকরা এতে ক্ষুব্ধ। ফলে এসব জায়গায় বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবার দু-একটি জায়গায় বিতর্কিত প্রার্থীরাও দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নেতাকর্মীরা।

এ অবস্থায় গতকাল রোববার দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আরও ১২২ জন দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। চারটি বিভাগের ১৬টি জেলা থেকে এসব প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৮ মার্চ

অনুষ্ঠেয় ১২৯টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য এসব প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি সাতটিতে পরে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই ১২২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে কোথাও কোনো সমস্যা কিংবা অভিযোগ থাকলে যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে।

এর আগে শনিবার ৮৭টি উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। এ নিয়ে দুই ধাপের জন্য ২০৭টি উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হলো। গত শুক্র ও শনিবার দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনের জন্য এসব চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় তৃতীয় ধাপ এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি আরেকটি সভায় চতুর্থ ধাপের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। এ ছাড়া জুনে পঞ্চম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নামও পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দেশের ৪৯২টি উপজেলা পরিষদের মধ্যে ৪৮০টিতে এবার পাঁচ ধাপে নির্বাচন হচ্ছে। আগামী ১০ মার্চ প্রথম ধাপে ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এর পর দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে ১৮ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

জরিপেই আস্থা :এর আগেই অভিযোগ উঠেছিল, তৃণমূল থেকে উপজেলা পরিষদে প্রার্থী তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রভাবশালী স্থানীয় নেতা ও এমপিরা অনৈতিক হস্তক্ষেপ করেছেন। মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে এমপি-নেতাদের পছন্দের কিংবা আত্মীয়-পরিজনের নাম সুপারিশ করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এমনকি বর্ধিত সভা করে সর্বোচ্চ তিনজন প্রার্থীর নামের সুপারিশ-সংবলিত তালিকা পাঠানোর নির্দেশ থাকলেও অনেক জায়গাতেই পছন্দের 'একক' প্রার্থীর নাম পাঠানো হয়েছে। এভাবে ২৮২টি উপজেলায় একক প্রার্থীর নাম পাঠানোর অভিযোগ ওঠায় বিব্রত হন উপজেলা নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও।

এমপি-নেতাদের এমন অনিয়ম ঠেকাতে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ওবায়দুল কাদেরও সাফ জানিয়ে দেন, তৃণমূলের তালিকায় যাদের নামই থাকুক না কেন, কেন্দ্রীয় জরিপ ও যাচাই-বাছাই করেই দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। গতকাল পর্যন্ত দু'ধাপের ২০৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা বিশ্নেষণ করে দলের এমন কৌশলের প্রতিফলন দেখা যায়।

জানা গেছে, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু জেলার ১২টি উপজেলা পরিষদেই একজন করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রার্থী চূড়ান্ত করার সময় এ তালিকায় থাকা তিনজন 'একক প্রার্থীর' নাম বাদ দিয়েছে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। বাদপড়াদের মধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলার চেয়ারম্যান পদের মনোনয়নপ্রত্যাশী বগুড়া-১ আসনের দলীয় এমপি আবদুল মান্নানের স্ত্রী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাহাদারা মান্নানও রয়েছেন। তার বদলে মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মুহম্মদ মুনজিল আলী সরকার। বাদপড়া অন্য দু'জন হলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক এবং শাজাহানপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালেবুল ইসলাম। এই দুই জায়গায় দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন যথাক্রমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান খান সেলিম এবং শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন সান্নু।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, কেন্দ্রীয় জরিপে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীদেরই মনোনয়ন দিয়েছেন তারা। তবে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনুর দাবি, তাদের পাঠানো তালিকা থেকে মাত্র তিনজন বাদ পড়েছেন। এটা হতেই পারে। দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড অনেক কিছু দেখেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এমনটি হয়েছে।

আবার জরিপকে প্রাধান্য দিয়ে তৃণমূলের সুপারিশে নাম থাকলেও বিতর্ক থাকায় বর্তমান চেয়ারম্যানদের অনেককে বাদ দিয়ে নতুন প্রার্থী বেছে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মিন্টু দলের মনোনয়ন চাইলেও তাকে বাদ দিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান নূরুজ্জামান বিশ্বাসকে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে। সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পাবনা-৪ আসনের এমপি শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মিন্টুর বিরুদ্ধে এমপি ও তার পরিবারের সব কেলেঙ্কারিতে সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালনের অভিযোগ রয়েছে। পাবনার সুজানগর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল কাদের রোকন বাদ পড়েছেন বিতর্কিত সাবেক এমপি খন্দকার আজিজুল হক আরজুর ঘনিষ্ঠ সহচর হওয়ার কারণে। এখানে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে শাহীনুজ্জামানকে।

তৃণমূলের সুপারিশে নাম থাকলেও চূড়ান্ত মনোনয়নকালে আরও বাদ পড়েছেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান এনামুল হক। সেখানে মনোনয়ন পেয়েছেন ফরিদ আহমেদ। অবশ্য তৃণমূলের ভোটাভুটিতেও ১ নম্বরে নাম ছিল ফরিদ আহমেদের, দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন এনামুল হক।

আবার তৃণমূলের সুপারিশে 'একক প্রার্থী' হিসেবে নাম পাঠানো হলেও কোনো বিতর্ক ও অভিযোগ না থাকায় অনেকেই কেন্দ্রীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। বগুড়া জেলা থেকে পাঠানো একক তালিকার প্রার্থীদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন সোনাতলা উপজেলায় মিনহাদুজ্জামান লিটন, শেরপুরে মজিবর রহমান মজনু, আদমদীঘিতে সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, শিবগঞ্জে আজিজুল হক, ধুনটে আবদুল হাই খোকন, গাবতলীতে এএইচ আযম খান, কাহালুতে আবদুল মান্নান, নন্দীগ্রামে রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ এবং বগুড়া সদর উপজেলায় আবু সুফিয়ান শফিক। সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় লোকমান উদ্দিন চৌধুরী ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ইকবাল আহমদ চৌধুরীর নাম একক প্রার্থী হিসেবে থাকলেও কেন্দ্র তাদেরই মনোনয়ন দিয়েছে।

নতুনের ছড়াছড়ি :ঘোষিত ২০৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে শতাধিক প্রার্থী প্রথমবারের মতো দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। বর্তমান চেয়ারম্যানদের বাদ দিয়েও অনেককে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে। দিনাজপুর সদর উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলামের বদলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইমদাদ সরকারকে নতুন প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রুহুল আমিন দলীয় মনোনয়নে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। একইভাবে গাইবান্ধার ফুলছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ, সাঘাটায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সামশীল আরেফিন, একইভাবে দিনাজপুর জেলার বিরলে একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, চিরিরবন্দরে আহসানুল হক মুকুল, হাকিমপুরে হারুন উর রশীদ, পাবনার আটঘরিয়ায় মোবারক হোসেন পান্না, সাঁথিয়ায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ফরিদপুর সদর উপজেলায় কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক মোল্লা, চরভদ্রাসনে মো. কাউছার, জামালপুর সদর উপজেলায় আবুল হোসেন, বকশীগঞ্জে একেএম সাইফুল ইসলাম, মেলান্দহে কামরুজ্জামান, ইসলামপুরে এম জামাল আবদুল নাছের এবং ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এসএম আকরাম হোসেনসহ অনেক নতুন মুখ দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবু বিতর্ক :বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আজিজুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি উপজেলা সদর শ্মশানঘাটের জায়গা দখল করে নিয়েছিলেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে দুঃখ প্রকাশ করে ওই জায়গা শ্মশান কমিটিকে ফেরত দিতে বাধ্য হন। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিতর্কিত এই নেতাকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই ক্ষুব্ধ।

সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া এবং বিএনপি থেকে নির্বাচিত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মণ্ডল দলের মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। দিনাজপুর খানসামা উপজেলায় পাকেরহাট সরকারি কলেজের প্রভাষক সফিউল আযম চৌধুরী কীভাবে দলীয় মনোনয়ন পেলেন তা নিয়ে বিস্মিত স্থানীয় নেতারা। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার পরও কোনো সমস্যা থাকলে আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব।'

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মন্ত্রী-এমপিদের কোনো স্বজনকে মনোনয়ন না দেওয়ার অলিখিত ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দুই মন্ত্রীর দুই ভাই দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তাদের একজন হচ্ছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের ছোট ভাই মাহবুবুজ্জামান আহমেদ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই গোলাম কিবরিয়া জব্বার।

১২২ উপজেলার প্রার্থীরা :গতকাল দ্বিতীয় দফায় যে ১২২টি উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছেন তারা হচ্ছেন-

রংপুর বিভাগ :ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় অরুণাংশু দত্ত টিটো, পীরগঞ্জে আখতারুল ইসলাম, রানীশংকৈলে সইদুল হক, হরিপুরে জিয়াউল হাসান, বালিয়াডাঙ্গীতে আহসান হাবীব বুলবুল, রংপুর জেলার পীরগাছায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন, তারাগঞ্জে আনিছুর রহমান, বদরগঞ্জে ফজলে রাব্বি, পীরগঞ্জে নূর মোহাম্মদ ম ল, গঙ্গাচড়ায় রুহুল আমিন, গাইবান্ধা সদর উপজেলায় শাহ সরোয়ার কবির, সাদুল্লাপুরে সাহারিয়া খাঁন, গোবিন্দগঞ্জে আবদুল লতিফ প্রধান, ফুলছড়িতে জিএম সেলিম পারভেজ, সাঘাটায় এমএম সামশীল আরেফিন, পলাশবাড়ীতে একে মোকছেদ চৌধুরী, দিনাজপুর সদর উপজেলায় ইমদাদ সরকার, চিরিরবন্দরে আহসানুল হক, ফুলবাড়ীতে আতাউর রহমান মিল্টন, বিরামপুরে পারভেজ কবির, হাকিমপুরে হারুন উর রশিদ, বীরগঞ্জে আমিনুল ইসলাম, নবাবগঞ্জে আতাউর রহমান, পার্বতীপুরে হাফিজুল ইসলাম, খানসামায় সফিউল আযম চৌধুরী এবং ঘোড়াঘাটে আবদুর রাফে খন্দকার দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগ :বগুড়া সদর উপজেলায় আবু সুফিয়ান, নন্দীগ্রামে রেজাউল আশরাফ, সারিয়াকান্দিতে অধ্যক্ষ মুহম্মদ মুনজিল আলী সরকার, আদমদীঘিতে সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, দুপচাঁচিয়ায় মিজানুর রহমান খান, ধুনটে আবদুল হাই খোকন, শাজাহানপুরে সোহরাব হোসেন, শেরপুরে মজিবুর রহমার মজনু, শিবগঞ্জে আজিজুল হক, কাহালুতে আবদুল মান্নান, গাবতলীতে এএইচ আজম খান ও সোনাতলায় মিনহাদুজ্জামান লিটন, নওগাঁর আত্রাইয়ে এবাদুর রহমান প্রামাণিক, নিয়ামতপুরে ফরিদ আহমদ, সান্তাহারে শামছুল আলম চৌধুরী, পোরশায় আনোয়ারুল ইসলাম, ধামইরহাটে আজহার আলী, বদলগাছিতে আবু খালেদ বুলু, রানীনগরে আনোয়ার হোসেন, মহাদেবপুরে আহসান হাবীব, পত্নীতলায় আবদুল গাফফার ও মান্দায় জসীম উদ্দীন এবং পাবনা সদর উপজেলায় মোশাররেফ হোসেন, আটঘরিয়ায় মোশাররফ হোসেন, বেড়ায় আবদুল কাদের, ভাঙ্গুড়ায় বাকি বিল্লাহ, চাটমোহরে সাখাওয়াত হোসেন সাকো, ঈশ্বরদীতে নুরুজ্জামান বিশ্বাস, সাঁথিয়ায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সুজানগরে শাহীনুজ্জামান ও ফরিদপুরে খলিলুর রহমান সরকারকে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে।

ঢাকা বিভাগ :ফরিদপুর সদর উপজেলায় আবদুর রাজ্জাক মোল্লা, বোয়ালমারীতে এসএম মোশাররফ হোসেন, চরভদ্রাসনে মো. কাউসার, সদরপুরে এএইচএম শায়েদীদ গামাল লিপু, সালথায় দেলোয়ার হোসেন, আলফাডাঙ্গায় এসএম আকরাম হোসেন, মধুখালীতে মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু, নগরকান্দায় মনিরুজ্জামান সরদার ও ভাঙ্গায় জাকির হোসেন মিয়া দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

সিলেট বিভাগ : সিলেট সদর উপজেলায় আশফাক আহমেদ, বিশ্বনাথে নুনু মিয়া, দক্ষিণ সুরমায় আবু জাহিদ, বালাগঞ্জে মোস্তাকুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলম, গোয়াইনঘাটে গোলাম কিবরিয়া হেলাল, জৈন্তাপুরে লিয়াকত আলী, কানাইঘাটে মোমিন চৌধুরী, জকিগঞ্জে লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, গোলাপগঞ্জে ইকবাল আহমদ চৌধুরী ও বিয়ানীবাজারে আতাউর রহমান খান, মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলায় কামাল হোসেন, বড়লেখায় রফিকুল ইসলাম, জুড়ীতে গুলশান আরা মিলি, কুলাউড়ায় কামরুল ইসলাম, রাজনগরে আকছির খান, কমলগঞ্জে রফিকুর রহমান ও শ্রীমঙ্গলে রণবীর কুমার দেব দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগ :নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায় মাহবুব মোর্শেদ, চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপে শাহাজাহান, সীতাকুে এসএম আল মামুন, রাঙ্গুনিয়ায় খলিলুর রহমান চৌধুরী, ফটিকছড়িতে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মিরসরাইয়ে জসিম উদ্দীন, রাউজানে একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী ও হাটহাজারীতে এসএম রাশেদুল আলম, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় শহীদুজ্জামান মহসীন, কাউখালীতে শামসুদ্দোহা চৌধুরী, রাজস্থলীতে উবাচ মার্মা, লংগদুতে আবদুল বারেক সরকার, বিলাইছড়িতে জয় সেন তঞ্চঙ্গ্যা, কাপ্তাইয়ে মফিজুল হক, বরকলে সাবির কুমার চাকমা, জুরাছড়িতে রূপ কুমার চাকমা ও বাঘাইছড়িতে ফয়েজ আহমেদ, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় শানে আলম, মানিকছড়িতে জয়নাল আবেদীন, লক্ষ্মীছড়িতে বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় মো. কাশেম, মহালছড়িতে ক্যজাই মার্মা, পানছড়িতে বিজয় কুমার দেব, মাটিরাঙ্গায় রফিকুল ইসলাম ও রামগড়ে বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী, বান্দরবান জেলার সদর উপজেলায় একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে চহাইমং মারমা, আলীকদমে জামাল উদ্দীন, থানচিতে খোয়াই হ্নলা মং মারমা, লামায় মো. ইসমাইল, রুমায় উহলাচিং মার্মা, লাইক্ষ্যংছড়িতে মোহাম্মদ শফিউল্লাহ এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।