মধুর ক্যান্টিনের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশ: ২০ মে ২০১৯     আপডেট: ২১ মে ২০১৯      

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

গত ১৩ মে সোমবার ইফতার পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের ওপর হামলা ঘটনা ঘটে -ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আরো দুইজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৩ মে সোমবার ইফতার পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংগঠিত ঘটনা তদন্তে ওইদিনই তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ছাত্রলীগ। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সংগঠনটি সোমবার এমন সিদ্ধান্ত নেয়।

ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হল ছাত্রলীগের কর্মী সালমান সাদিক। আর সংগঠনটির বিজ্ঞান অনুষদ শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী মুরসালিন অনু, জিয়া হল শাখার সদস্য কাজী সিয়াম, জিয়া হল শাখার কর্মী সাজ্জাদুল কবির এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেব সদস্য জারিন দিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রোকেয়া হল শাখার সভাপতি বি. এম. লিপি আক্তার এবং জিয়া হল শাখার পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান শান্তকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার লিখিত জবাব আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে দপ্তর সেলে জমা দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ৫ জনকে বহিষ্কার ও ২ জনকে কারণ দর্শােনোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে কমিটিতে পদবঞ্চিতরা। এ বিষয়ে পদবঞ্চিতদের নেতৃত্বে থাকা গত কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসেন সমকালকে বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতি আমাদের আগেই অনাস্থা ছিল। আজ সেই অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখেছি। যারা প্রকৃত অপরাধী, তদন্ত কমিটি তাদের আড়াল করেছে। আর যারা প্রকাশ্যে দিবালোকে মার খেল তারাই বহিষ্কৃত হয়েছেন।