ছাত্রদলের 'সাংগঠনিক অভিভাবক' তারেক রহমান

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ছাত্রদলের 'সাংগঠনিক অভিভাবক' ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সারাদেশ থেকে আসা ছাত্রদলের কাউন্সিলরদের সভায় গৃহীত এক সিদ্ধান্তের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সভাপতি ও কাউন্সিলর খন্দকার এনামুল হক এনামের সভাপতিত্বে এ কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনশ'র বেশি কাউন্সিলর অংশ নেন। কাউন্সিলে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে ২৬ দফা প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ১৮তে 'মূল সংগঠনের সাথে সম্পর্ক' শিরোনামে বলা হয়েছে- বিএনপি চেয়ারপারসন বিশেষ কোনো প্রয়োজনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি বাতিল কিংবা কেন্দ্রীয় কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন পূর্ণাঙ্গ/আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে পারবেন। তিনি যে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে পারবেন। চেয়ারপারসন ছাত্রদলের সংবিধানের যে কোনো অনুচ্ছেদ, ধারা, উপধারা স্থগিত, সংযোজন, বিয়োজন এবং প্রয়োজনে সংবিধান বাতিল করতে পারবেন।

খসড়া গঠনতন্ত্রের এ ধারা অনুযায়ী কাউন্সিলররা বিএনপি চেয়ারপারসন কিংবা তার অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনরত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন ও গ্রহণ করেন।

এ প্রস্তাব অনুযায়ী সর্বসম্মতিক্রমে 'সাংগঠনিক অভিভাবক' তারেক রহমানকে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের সংশোধন, কাউন্সিল আহ্বান ও মুলতবি করা, নেতৃত্ব নির্ধারণে নির্বাচন পরিচালনাসহ যে কোনো সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কাউন্সিলে ছাত্রদলের বৃহত্তর স্বার্থে সংগঠনের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি বাতিল করায় তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেওয়া সকল সিদ্ধান্ত ও পরামর্শের প্রতি আস্থা স্থাপন করা হয়।

কাউন্সিল সভার শোক প্রস্তাবে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কাজী আসাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুল হক বাবলু, নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুসহ বিভিন্ন নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।