খুনিদের দেশত্যাগের সুযোগ করে দেন খালেদ মোশাররফ: ইনু

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

হাসানুল হক ইনু - ফাইল ছবি

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকালে জিয়া, খালেদ মোশাররফ ও শাফায়াত জামিলসহ সবাই কি আঙুল চুষছিলেন? আসলে খালেদ মোশাররফ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শায়েস্তা করতে নয়, নিজে ক্ষমতা দখল করতে অভ্যুত্থান করেছিলেন। তিনিই বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনিদের নিরাপদে দেশত্যাগ করার সুযোগ করে দেন। খুনি খন্দকার মোশতাককে আটক দূরে থাক, তার সঙ্গেই যোগসাজশ করে খালেদ নিজেই সেনাপ্রধানের ব্যাজ লাগান।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ৭ নভেম্বর 'সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে ঢাকা মহানগর জাসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অনেকেই ৭ নভেম্বরকে সেনা কর্মকর্তা হত্যা কিংবা বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে তারা আসলে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকারী ও ক্ষমতালিপ্সু অফিসারদের কামড়াকামড়ির কুৎসিত ঘটনা আড়াল করতে চান।

ইনু বলেন, জিয়াউর রহমানের বিশ্বাসঘাতকতায় ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। সিপাহিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে জিয়া নিজের ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে রক্তের হোলি খেলায় মেতে ওঠেন। কর্নেল তাহেরকে সাজানো মিথ্যা মামলায় বিচারের নামে প্রহসন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন। ইতিহাস ৭ নভেম্বরের ঘটনায় কর্নেল তাহেরকে মহানায়ক আর জিয়াকে খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

জাসদের ঢাকা মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক নুরুল আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, ফজলুর রহমান বাবুল, শফি উদ্দিন মোল্লা, শহীদুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান রোকন, নইমুল আহসান জুয়েল, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, সাইফুজ্জামান বাদশা, মীর্জা আনোয়ারুল হক, মাইনুর রহমান, একেএম শাহ আলম, অ্যাডভোকেট মহিবুর রহমান মিহির, ইদ্রিস আলী, সৈয়দা শামীমা সুলতানা হ্যাপী, মাহবুবুর রহমান, আহসান হাবিব শামীম প্রমুখ।