র‌্যাব-পুলিশ দিয়ে দমন করা যাবে না: রিজভী

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০১৯     আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২০      

 সমকাল প্রতিবেদক

রুহুল কবির রিজভী- ফাইল ছবি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সারাদেশে এত আতঙ্ক, ভয়, গ্রেপ্তার ও মামলার পরও দলের নেতাকর্মীরা দেশের কথা বলেন, জনগণের কথা বলেন, রাজপথে দাঁড়ান। তাদের অন্যায়ভাবে, ষড়যন্ত্র করে কেউ দমন করতে পারবে না। সরকার বিরোধী দল আর মতের স্বাধীনতাকে দমন করতে র‌্যাবের সংখ্যা বাড়াতে পারে, পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে পারে, তার পরও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক রক্তদান কর্মসূচিতে রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এদিকে, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বুধবার রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের নেতাকর্মীরা। গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের সামনে পুলিশের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় গত মঙ্গলবার গভীর রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় ৫০১ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা দায়েরের নিন্দা জানান রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, যদি দেশে গণতন্ত্র থাকে তাহলে রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মিছিল হবে, এটা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। এর পরও দলের ৫০১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে রাতের অন্ধকারে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রক্তদান কর্মসূচি উপলক্ষে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এএসএম রাকিবুল ইসলাম আকাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাবিদ রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ।

এদিকে উলফাতকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ মিছিল থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও জানানো হয়। দুপুরে বিজয়নগরের হোটেল ৭১-এর সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিজয়নগর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ, ডা. জাহিদুল কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সরদার মো. নূরুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।