ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

‘রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে গুম নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি’

‘রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে গুম নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি’

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১২:০০ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১২:০০

গুম ও অপহরণ নিয়ে বিএনপি অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিএনপির এ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা গুম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে বানোয়াট বক্তব্য দিচ্ছেন, তা বাস্তবতাবিবর্জিত ও ভিত্তিহীন। বিদেশি বন্ধু ও প্রতিনিধিদের করুণা লাভের আশায় তারা ধারাবাহিকভাবে গুম-খুন নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব ও কোন্দলের ফলে যেসব গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে, তার দায় সরকারের উপর চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। গুম নিয়ে মিথ্যা বয়ান তৈরির মধ্য দিয়ে সরকারের উপর দোষ চাপিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে তারা।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন নিখোঁজ হওয়ার পর তার দায় সরকারের উপর চাপানো হয়েছিল। কিন্তু পরে দেখা গেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেই তিনি গুমের শিকার হয়েছিলেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। একইভাবে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হওয়ার পর সরকারের উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা চালানো হয়। পরে জানা যায় তিনি ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। এমনকি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনায় বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেছেন, ইলিয়াস আলীকে বিএনপির লোকজনই গুম করেছে, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।’ 

বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, এ দেশে হত্যা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনিই এ দেশে গুমের রাজনীতির সূচনা করেন। তার শাসনামলে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবুকে গুম করে হত্যা করা হয়। তার মরদেহও পরিবারের সদস্যরা খুঁজে পাননি। চট্টগ্রামের যুবলীগ নেতা মৌলভী সৈয়দকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। জিয়াউর নিজের অবৈধ ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে তথাকথিত বিদ্রোহের অভিযোগে সেনা ও বিমান বাহিনীর শত শত কর্মকর্তা-সৈনিককে হত্যা করেছিলেন। 

জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ চালু করেন বলে দাবি সেতুমন্ত্রীর। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অপারেশনের নামে আওয়ামী লীগের শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল এবং এই বেআইনি হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিতে ইনডেমনিটি আইন করা হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে আওয়ামী লীগের ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করে। এমনকি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গি গোষ্ঠী ‘


আরও পড়ুন

×