শান্তি কমিটি কমান্ডারের ছেলেও আওয়ামী লীগে!

গোয়েন্দা তথ্য: রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি দলে ঠাঁই পেয়েছেন জামায়াত শিবির ও বিএনপির এজাহারভুক্ত আসামিরাও

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২০     আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২০       প্রিন্ট সংস্করণ

শাহেদ চৌধুরী

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী শান্তি কমিটির কমান্ডারের ছেলে ও তার আত্মীয়স্বজন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরাও মামলা থেকে রেহাই পেতে কিংবা পুলিশের ধরপাকড় থেকে বাঁচতে ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিয়েছেন।

২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া রাজশাহী মহানগর, নাটোর, বগুড়া, নওগাঁ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেতাকর্মীদের তালিকায় এমন চিত্র পাওয়া গেছে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে আট বিভাগের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে তাতে এই পাঁচটি এলাকাও রয়েছে। তালিকাটি আওয়ামী লীগের জেলা নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারা ওই তালিকায় থাকা বিতর্কিতদের দল থেকে বাদ দেবেন।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা সমকালকে জানান, গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া নেতাকর্মীরা আগে কোন দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সেই তথ্যও রয়েছে ওই তালিকায়। সেই সঙ্গে আগের দলে তাদের পদ-পদবি, তাদের দাদা, নানা, বাবা, চাচা, ফুফু, মামাসহ পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক তথ্য রয়েছে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধকালে তাদের ভূমিকার তথ্যও রয়েছে ওই তালিকায়। আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার পর সংশ্নিষ্ট নেতাকর্মীর পদ-পদবি ও দলীয় কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলা-সংক্রান্ত তথ্যাবলিও রয়েছে ওই তালিকায়।

রাজশাহী: শান্তি কমিটির কমান্ডার আশরাফুল আলমের ছেলে তরিকুল আলম পলটু আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। পলটু রোববার সমকালকে জানিয়েছেন, তিনি মহানগরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ড  বিএনপির সভাপতি ছিলেন। এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছেন।

সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহুল আমিন টুনু মামলা খেয়ে বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। মামলার পর আওয়ামী লীগে এসেছেন মহানগর বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান। ছাত্রশিবিরের লিটন ইসলাম, জামায়াতের শাহিন সর্দার এবং জালাল উদ্দীনও মামলায় জড়িয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার তালিকায় আরও রয়েছেন মহানগর বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোহাম্মদ ঈলাশ, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ রাকিব, আবদুস সোবহান, মোহাম্মদ পারভেজ, অ্যাডভোকেট বাহাদুর আলী, মোহাম্মদ মোসাররফ, বদরুদ্দোজা বদর, মোহাম্মদ হাসিবুল, অ্যাডভোকেট শাহিন রেজা, মোহাম্মদ জুয়েল, শাজাহান আলী, মোহাম্মদ নাসিম, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ আনারুল, মোহাম্মদ মতিন, মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ সিপন ও মোহাম্মদ লিটন। জামায়াতের শহিদুল ইসলামও এখন আওয়ামী লীগার।

নাটোর : গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, নাটোর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আকরাম হোসেন আক্কুর আত্মীয়স্বজন মুক্তিযুদ্ধের সময় আলশামস বাহিনীর সদস্য ছিলেন। আক্কু এখন জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

নলডাঙ্গা ছাত্রশিবিরের মাহামুদুল হাসান ফকির মুক্তা স্থানীয় পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। স্থানীয় পৌর যুবলীগের সহসভাপতি মাহাবুর হোসেন ছিলেন নলডাঙ্গা ছাত্রশিবিরের সমর্থক। এছাড়া জামায়াত-শিবির সমর্থকদের মধ্যে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বাগাতিপাড়ার আবদুর রউফ, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর, মাসুদ রানা, তজিবর রহমান, ফাহিমা খাতুন, নার্গিস পারভিন, মোসাম্মৎ ফাতেমা, আবদুল বারী, নলডাঙ্গার মোহাম্মদ দেলোয়ার, হাফিজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, ফারুক সরকার ও দুলাল হোসেন।

জেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ আওয়ামী লীগে এসে জেলা কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন। লালপুর বিএনপির মিজানুর রহমান মিজান হয়েছেন চংধুপইল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ওয়ার্ডের মেম্বারও হয়েছেন। বিএনপির কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন সোহাগ গ্রুপের সদস্য জামিলুর রহমান মিলনের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় মামলা রয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তার মতোই আওয়ামী লীগে এসেছেন একাধিক মামলার আসামি জেলা যুবদলের সদস্য মোহাম্মদ রানা।

আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন নাটোর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান জাহিদ, নাটোর পৌর বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ সোহেল, জেলা যুবদলের সদস্য সাইফুল ইসলাম ওরফে বেটে সাইফুল, বাগাতিপাড়া বিএনপির খালিদ হাসান লিটন, লোকমান হোসেন, নলডাঙ্গা বিএনপির মোহাম্মদ কুদ্দুস, নাদের প্রামাণিক, মোহাম্মদ হালিম, আমজাদ হোসেন মন্টু, মোহাম্মদ মোনা, সাদেক প্রামাণিক, মোহাম্মদ আমজাদ, শামসুল মোল্লা, মোহাম্মদ সোহাগ, ওয়াজেদ আলী, মোহাম্মদ তাইজুল, সদু মোল্লা, মোহাম্মদ মামুন, রাকিব মোল্লা, মোহাম্মদ আশকান, লাল চাঁন, মোহাম্মদ ফয়সাল, মনিরুল ইসলাম কাল।

যোগ দেওয়া তালিকায় আরও আছেন খোরশেদ আলম, নজরুল ইসলাম, ফারুক প্রামাণিক, আক্কাছ আলী, নজরুল বকাউল, ওমর আলী, আলাউদ্দিন স্বপন, আবজাল হোসেন, জিন্নাত প্রামাণিক, মুন্টু মোল্লা, মহাসিন আলী, লালন মোল্লা, আশিক প্রামানিক, নুর নবী মোল্লা, মোহাম্মদ শামীম, জসিম মোল্লা, শাহীন আলী, ইয়াদ আলী, মোহাম্মদ বাবু, সালেহা বেওয়া, জালাল আলী, নুর ইসলাম শেখ, সিরাজুল ইসলাম, শামীম প্রামানিক, জয়নাল শেখ, রানা সরকার, সবুজ প্রামানিক, ইয়াকুব শেখ, সাজ্জাদ হোসেন, সিংড়ার আদেশ আলী সরদার, আবদুল মান্নান, লালপুরের মিজানুর রহমান, গুরুদাসপুরের জসরত প্রামানিক, আবদুল লতিফ মুন্সি, জাহিদ হোসেন, জহির শাহ, কামাল খলিফা ও বাবু কমিশনার।

বগুড়া: সারিয়াকান্দি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ মওলানা আবদুল মান্নান ও সোনাতলা জামায়াতের নেতা মোহাম্মদ মুজাহিদও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে চন্দনবাইশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন দুলাল। গাবতলীর দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয়েছেন বিএনপি থেকে আসা সাইফুল ইসলাম। তিনি এখন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

সোনাতলা বিএনপির সোনা মিয়া, সালেহ আহম্মেদ শাহিন, বিটুল সরকার ও তোফাজ্জল মিয়া মামলায় জড়ানোর পর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। সোনাতলা ছাত্রদলের সভাপতি জিয়াউর রহমান টিটো মিয়া, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম বিপ্লব, পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম জহির শেফা, সারিয়াকান্দির টুলু মিয়াও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

আওয়ামী লীগে আরও যোগ দিয়েছেন সোনাতলা বিএনপির মোহাম্মদ আজিজ, মমিন মিয়া, নজরুল ইসলাম প্রধান বাদল, খোকন মিয়া, নজির উদ্দিন, ইজু মিয়া, সেকেন্দার আলী, বাবর মিয়া, আফি হোসেন, ফজলে রাব্বী, বেলাল মিয়া, জিল্লুর রহমান, উজ্জ্বল হোসেন, মকবুল হোসেন, ছায়রত জাম্মান, মোহাম্মদ বিপ্লব, জয়নাল আবেদিন খোকা, মোহাম্মদ মিনারুল, রবিউল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, শাহ আলম, নুরুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আবদুল খালেক, রিপন মিয়া, রবিউল ইসলাম, আমিন আনিসুর, মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ চুন্নু, আবদুল লতিফ, অচেনা প্রামানিক, হেলাল মিয়া, মোহাম্মদ ফারুক, রেজাউল প্রামানিক, মোহাম্মদ তারাজুল, মানিক মিয়া, মোহাম্মদ মুরাদ, বাবুল প্রামানিক, সোহাগ মিয়া, আবদুল হাই, মোহাম্মদ মামুন, সোনা মিয়া, মোহাম্মদ সোহাগ, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ ওয়াহেদুল, ধুনটের আবদুল খালেক, সফিউদ্দিন মণ্ডল, মজনু সরকার, তজিদুজ্জামান হিটলার, আদমদীঘির মোহাম্মদ আসলাম, আবদুল হাকিম প্রামানিক।

এ তালিকায় আরও আছেন মোহাম্মদ ভুট্টু, ফাহাদ তালুকদার, মোহাম্মদ মিজু, কামরুল হাসান, মোহাম্মদ শামীম, জয়নাল আবেদীন, মোহাম্মদ রাব্বী, আফজাল হোসেন প্রামানিক, মোহাম্মদ রাশেদ, দুলাল হোসেন শেখ, মোহাম্মদ সজিব, এরশাদ আলী, মোহাম্মদ রায়হান, জহুরুল হক, মোহাম্মদ ফিরোজ, সুরুজ মিয়া, রুবেল সোনার, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ পিন্টু, হারুনুর রশিদ, জাহানুর রশিদ তালুকদার, শহিদ আলী, শফি আলম তালুকদার, চুন্নু মিয়া, মোহাম্মদ আসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল মজিদ আকন্দ, হাফিজুল ইসলাম, ফেরদৌস আলী, তোয়েজ আলী প্রামানিক, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মাহমুদুর রহমান, মোহাম্মদ মাজেদুল, হেলাল আলী, সাইদুল ইসলাম, লিটন আলী, বাদল ইসলাম, আমিনুল হক, মফিজ আকন্দ, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ দুলাল, নুর আকন্দ, আবদুল জলিল প্রামানিক, মাহাবুব শেখ, লাজম উদ্দীন, মোহাম্মদ ফারুক, শাজাহান আলী, মোহাম্মদ হান্নান, মঞ্জুর আলী, শেরপুরের হযরত আলী, আইনাল হক ও আবু সুফিয়ান।

নওগাঁ  মামলার পর বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন আত্রাইয়ের শোয়েব সরদার, উজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফজেল ও রানীনগরের আসাদুজ্জামান পিন্টু। আত্রাই বিএনপির মাজেদুর রহমান উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হয়েছেন। আত্রাই উপজেলা বিএনপির সৈয়দ সরদারকে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এ উপজেলা বিএনপির সাজেদুর ইসলাম সেন্টু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। উপজেলা রিকশা-ভ্যান শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ উজ্জল উপজেলা বিএনপির নেতা ছিলেন।

বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে আরও যোগ দিয়েছেন নওগাঁ সদরের জাহাঙ্গীর আলম, আত্রাইয়ের আবদুল মজিদ মিঠু, আল্লামা শেরে বিপ্লব, মোহাম্মদ জনি, আমজাদ হোসেন, দেলবর হোসেন, জুয়েল আলম সরদার, রেজাউল ইসলাম রেজা, আবদুল মান্নান মোল্লা, নিয়ামতপুরের আবু হেনা মোস্তফা কামাল চৌধুরী, তহমিনা বিউটি, রানীনগরের আবদুর রহমান রাজু, পোরশার আবদুস সামাদ, নুরুল ইসলাম, মজনুর রহমান, শুকুর উদ্দিন, বজলুর রহমান, হায়াত আলী, ফজলুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ মোফাজ্জল, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, আবদুল মান্নান, আবদুল হান্নান, সাইদুর রহমান, আবদুর রহিম, ভদু, মোহাম্মদ তৈয়মুর, কয়েশ আলী, তবারক আলী, জিয়াউর রহমান, মোহাম মাদুল, ইছাহাক আলী, ইসমাইল হোসেন, নূর নবী শেখ, ফজর আলী, মকবুল হোসেন, মাসুদ রানা, মোহাম্মদ খাইরুল, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ হাবুল্লা, আবু বক্কর, ইউনুছ আলী, মোহাম্মদ ইয়াছিন, আবদুল লতিফ, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল করিম ও আলম আলী। রানীনগরের জামায়াত-সমর্থক মনোয়ার হোসেন তোতাও এখন আওয়ামী লীগ করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : এজাহারভুক্ত আসামি সদর জামায়াতের আবদুর রউফ জুলমাত ও আবুল খায়ের আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি সদর বিএনপির মোহাম্মদ ফারুক ও আবুল কাশেমকেও আওয়ামী লীগে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। মামলা খেয়ে বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে এসেছেন সদরের মমরেজুর আলম মমরেজ, মোহাম্মদ কাউসার, রুবেল আলী ও হাবিবুর রহমান। সদর জামায়াতের সোহরাব আলীও মামলার পর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে এসেছেন আবদুল্লাহ হেল কাফি, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শুকুদ্দী, ইলিয়াস আলী ও আফজাল হোসেন।

বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন সদরের মোহাম্মদ মতি, সায়েরা বেগম, কাউসার আলী, মোসাম্মৎ মৌ, মোহাম্মদ কবির, জাহিদা ইসলাম, মাসুদুর রহমান, এতিমা বেগম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোসাম্মৎ হালিমা, একেএম সেরাজুল ইসলাম, হেনা খাতুন, মোহাম্মদ তরিকুল, জলি বেগম, আলমগীর হোসেন, মোসাম্মৎ সিমু, মোহাম্মদ দুরুল, আফরোজা বেগম, সদর উদ্দিন, মোহাম্মদ জলিল, ফিরোজ কবির, মোহাম্মদ মোস্তফা, আল আমিন, মোহাম্মদ মিটন, ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ মতি, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আমিরুল, জয়নাল আবেদিন, মোহাম্মদ নাসেম, এনামুল হক, মোহাম্মদ সহবুল, মুনিরা বেগম, মোহাম্মদ নাহিদ, মোসাম্মৎ নুরী, আমিনুল ইসলাম, রহিমা বেগম, মোহাম্মদ অসীম, মার্জিয়া হাসান, তরিকুল ইসলাম তারেক, হাওয়ানুর বেগম, মোহাম্মদ মুকুল, আমেনা বেগম, আমিনুল ইসলাম মেম্বার, খাসা বেগম, মোহাম্মদ মমিন, কুমকুম বেগম, আবদুল হাকিম, রোকেয়া বেগম, মোহাম্মদ বাবুল, সুফিয়া বেগম, কাওসার আলী, রাজিয়া বেগম, মোহাম্মদ জুলফিকার।

আরও আছেন মনোয়ারা বেগম, আসজাদুর রহমান মান্নু মিয়া, মোহাম্মদ মিঠুন, শামীম আহম্মেদ, মোহাম্মদ মাসুদ, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ তুষার, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মিলন, বাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ সফি, মোহাম্মদ কিরণ, শাহলাল, মোহাম্মদ হেলাল, আসাদুর রহমান, মোহাম্মদ সামিম, নাহিদুর জামান, মোহাম্মদ মুসফিক, রহমত আলী, মোহাম্মদ মাহবুর, জামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আজিম, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ করিম, গোলাম রাব্বানী, মোহাম্মদ টানু, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাকিব, শাহ লাল, মোহাম্মদ মেসবাউল, হারুন অর রশিদ, মোহাম্মদ নাজেম, সেমাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ হামিদ, কাওছার আলী, মোহাম্মদ রফিক, আবদুল বাসির, মোহাম্মদ চুটু, আবদুল জব্বার, একরামুল হক, মোহাম্মদ মতিন, দুরুল হুদা, মোহাম্মদ জাক্কার, মোখলেসুর রহমান, সেলিম রেজা, জিয়াউর রহমান, তরিকুল ইসলাম, আবদুস সালাম, সেমাজুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, শহিদুল ইসলাম, তোফাজ্জল হক, সোলাইমান আলী এবং ওলিউল্লাহ আলী।

ব্যাখ্যা : গত ২০ নভেম্বর সমকালে 'খুনের মামলার আসামিও আওয়ামী লীগে' শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একাংশের ব্যাখ্যায় গোপালগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবলু কাজী বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে কখনই তার কোনো সংশ্নিষ্টতা ছিল না। তিনি ৪০ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতিতে জড়িত।