দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০     আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, কে ভোট দিলো কে দিলো না, তা বিবেচনা করে না আওয়ামী লীগ। তার সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার রাতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভার বিরতিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪, বগুড়া-১ ও ও যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এই সভা ডাকা হয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের গতিকে অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। দলের নেতা-কর্মীদের জনগণের কাছে গিয়ে ভোটের কথা বলতে হবে। সরকারের উন্নয়নের কথা প্রচার করে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনসমর্থন বাড়াতে হবে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথসভা শুরু হলে শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন এবং চসিক নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

প্রথমে গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এরপর একে একে যশোর-৬, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪ ও বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচন এবং চসিক নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেন বোর্ড সদস্যরা।

এ সময় দল থেকে যাকেই প্রার্থী করা হোক না কেন, তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা এই সভায় যোগ দেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তার বক্তব্য শেষে আবারও যৌথসভা শুরু হয়। শনিবার রাত পৌনে ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠকটি চলছিল।

এর আগে গত শুক্রবার পর্যন্ত চলেছে পাঁচটি আসনের উপ-নির্বাচন ও চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কাজ। এ সময় ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪, বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে মোট ৭৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দেন। অন্যদিকে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ২০ জন এবং কাউন্সিলর পদে ৪০৫ জন দলের মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

পাঁচটি শূন্য আসনের মধ্যে ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ এবং বাগেরহাট-৪ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পদত্যাগের কারণে ঢাকা-১০ আসনটি শূন্য হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ইউনূস আলী সরকারের মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ ও মোজাম্মেল হোসেনের মৃত্যুতে বাগেরহাট-৪ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া বগুড়া-১ ও ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের পথে থাকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি।