ছিন্নমূল শিশু ও তাদের পরিবারকে ঈদ উপহার ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের

প্রকাশ: ২২ মে ২০২০     আপডেট: ২২ মে ২০২০   

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ছিন্নমূল শিশু ও তাদের পরিবারকে ঈদ উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংগঠন দুইটির উদ্যোগে তাদের মাঝে ঈদের পোশাক বিতরণ করা হয়।

এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন।

ভিডিও কনফারেন্সে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাভাইরাসের এই ভয়াবহ দুর্যোগের সময় আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো যেভাবে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনকে অসহায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানান।

ভিডিও কনফারেন্সে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন ও সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, খায়রুল হাসান জুয়েল, আ. আজিজ, আহম্মদ উল্লাহ জুয়েল, জসিমউদদীন মাদবর।

ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি খালেদ হোসেন নয়ন, ইয়াজ আল রিয়াদ, অমর একুশে হলের সভাপতি আব্দুল জব্বার রাজ, কেন্দ্রীয় নেতা এস এম রিয়াদ প্রমুখ।

কনফারেন্সে নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো এলাকায় অসহায় মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতা দিচ্ছে। তিনি ওবায়দুল কাদেরকে এসব বিষয়ে অবহিত করেন।

আফজালুর রহমান বাবু বলেন, 'আমরা ছাত্রলীগ করার সময় '৯৮- এর ভয়াবহ বন্যার সময় আমার নেতৃত্বে সারাদেশের মানুষকে স্যালাইন বিতরণ করেছিলাম। আজ ক্যাম্পাসে এসে ছিন্নমূল শিশু ও তাদের বাবা-মায়েদের ঈদের উপহার সামগ্রী দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।'

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, পথশিশু ও তাদের মাদের মাঝে ঈদ উপহার দিতে সহযোগিতা করায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের  নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ।

লেখক ভট্টাচার্য বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সঙ্গে একসাথে এই কার্যক্রম চালাতে পেরে ভীষণ ভালো লেগেছে। ভবিষ্যতে আমরা একসাথে আরো কাজ করতে চাই।