সিরাজগঞ্জ-১ ও ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। গত শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিন্দা জানায় তারা।

রোববার দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়ে জানানো হয়। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা বলেন, ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা প্রমাণ করে, নির্বাচনে ব্যাপক ভোট ডাকাতির চিত্র ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আড়াল করার জন্যই এই ধরনের ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড সরকার তার এজেন্টদের দিয়ে ঘটিয়েছে। 

তারা বলেন, বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তনে বিশ্বাসী। সরকার জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য পুরোনো কায়দায় গণপরিবহনে আগুন দিয়ে বিএনপিকে দোষারোপ করার হীন কৌশল গ্রহণ করেছে।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

বৈঠকে বিএনপি নেতারা বলেন, ১২ নভেম্বর দুই উপনির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান তারা।

এ সময় সভা থেকে গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমানসহ ৪০ জনকে আসামি করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।